March 31, 2026, 11:08 am
শিরোনামঃ
নারায়ণগঞ্জে সালিশের বিরোধে প্রবাসী যুবককে কুপিয়ে হত্যা খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে আর ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে : ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট চীনের কাছাকাছি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলো জাপান ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্ধেকেরও বেশি অর্জিত হয়েছে : নেতানিয়াহু ইসরাইল পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিল অনুমোদন ঝিনাইদহের মহেশপুরে জ্বালানি পাম্পে নজরদারি বাড়াতে টাস্কফোর্স গঠন ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা হবে বাধ্যতামূলক : প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণ দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করার প্রকৃত পথ : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী অবৈধ তেল মজুতের তথ্য দিলেই মিলবে ১ লাখ টাকা পুরস্কার ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিরা বাসা বরাদ্দ পাচ্ছেন
এইমাত্রপাওয়াঃ

রোহিঙ্গাদের এনআইডি তৈরি ; চট্টগ্রামে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ ১০ জন গ্রেফতার

বশির আল-মামুন, চট্টগ্রাম : বন্দর নগরী চট্টগ্রামে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কেলেঙ্কারির ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ৫ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি কার্ড তৈরির ফরম-২ এবং জন্মনিবন্ধন ফরম উদ্ধার করা হয়। বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরের মনসুরাবাদ মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (বন্দর-পশ্চিম) বিভাগের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. ইয়াছিন আরাফাত (২২), মো. নুরুল আবছার (২৮),  রোহিঙ্গা মো. কামাল হোসেন ওরফে মোহাম্মদ (৪৫), পারভীন আক্তার (২৫), কক্সবাজারের পোকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্কক শামসুর রহমান ওরফে শামসু মাস্টার (৬০), নির্বাচন কমিশনের চুক্তিবদ্ধ ডাটা এন্ট্রি অপরাটের মো. নুর নবী ওরফে রাহাত (২৫), মো. মিজানুর রহমান (২৩), ফরহাদুল ইসলাম (২৮), ইমন দাশ (২০) ও মো. কামাল (৪২)। রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ড তৈরির কাজে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তিনি চাকরিচ্যুত হন। রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ড তৈরিতে যুক্ত থাকায় তার বিরুদ্ধে ২০২১ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ কক্সবাজার সদর থানায় মামলা দায়ের করেছিল।

পুলিশ জানায়, আসামি শামসু মাস্টার কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের সংগ্রহ করে আসামি নুরুল আবছারের কাছে পাঠাতো। পরে নুরুল আবছার ওই রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন তৈরি করে দিতো। এই কাজে তাকে সহায়তা করতো নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ৫ জন ডাটা এন্ট্রি অপরাটের। এই চক্রটি দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রকার জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের এনআইডিসহ বিভিন্ন প্রকার ডকুমেন্ট তৈরি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল।

সিএমপির উপকমিশনার মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, এই চত্রের সদস্য শামসুর রহমান ও  নুরুল আবছার কক্সবাজারের বিভিন্ন  ক্যাম্প হতে রোহিঙ্গাদের এনআইডি কার্ড করে দেওয়ার কাজটি করে। এরপর নুরুল আবছার অনান্য আসামিদের মাধ্যমে চুক্তিবদ্ধ ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মাধ্যমে জাল এনআইডি কার্ড তৈরিতে সহায়তা করতো। রোহিঙ্গাদের কার্ড তৈরির কাজে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় শামসুর রহমানকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তাদের গ্রেফতারের পর গুরুত্ব¡পূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই চক্রের বাকি সদস্যদের  গ্রেফতার অভিযান চলছে বলেও জানান এই পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page