September 29, 2026, 3:02 pm
শিরোনামঃ
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের চ্যালেঞ্জ সমাধানের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই : তথ্য উপদেষ্টা কিশোরগঞ্জে বাড়ির পাশের গাছে হাত-পা বাঁধা প্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের রাশিয়ায় ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া : জেলেনস্কির ইরানকে ছাড়ের প্রস্তাবের খবর অস্বীকার করলেন ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের কোনো অবকাঠামোই ইরানি হামলা থেকে নিরাপদ না : গালিবাফ যশোরে জমি বিক্রিতে কমিশন চাওয়ার অভিযোগে বিএনপি- যুবদলের ৫ নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
এইমাত্রপাওয়াঃ

৪১ দেশে ছড়াচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের নতুন একটি সাবভ্যারিয়েন্ট ‘জেএন.১’ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। একে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুততার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে।

গত মঙ্গলবার ডব্লিউএইচওর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের ৪১টি দেশে এরইমধ্যে এ ধরন শনাক্ত হয়েছে। প্রথম শনাক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রে।

এরই মধ্যে ভারত, চীন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র সহ বিশ্বের বহু দেশে এই ভ্যারিয়েন্টের সন্ধান মিলেছে। তবে এতে জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকির পরিমাণ কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই সংক্রমণ রোধ এবং ভয়াবহ আক্রমণের ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ দিয়েছে। তা হলো- জনবহুল এলাকাগুলোতে মাস্ক পরতে হবে, হাঁচি-কাশির সময় মুখ বন্ধ রাখতে হবে, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে, নিয়মিত হাত পরিষ্কার করতে হবে, কোভিড ও ফ্লু টিকা সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট খবর রাখতে হবে, অসুস্থ হলে বাসায় থাকতে হবে এবং লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষা করাতে হবে।

দেড় বছর আগে ভারতে দেখা দেয় ওমিক্রম ওয়েভ। তারপর এই ভাইরাসের আবির্ভাবে সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন প্রথম সারির দু’জন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তারা বলেছেন নতুন শনাক্ত করা জেএন.১ হলো ওমিক্রনেরই সাব ভ্যারিয়েন্ট। এতে ভারতে কোভিড-১৯ এর একটি ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।

রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রগুলোর (সিডিসি) ভাষ্য, জেএন.১ লক্ষণে করোনার অন্য ধরনগুলোর থেকে আলাদা কিছু আছে কি না তা এখনো জানা যায়নি। লক্ষণগুলোর ধরন ও সেগুলো কতটা গুরুতর তা সাধারণত কোনো ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

সিডিসির মতে, কোভিড-১৯ এর সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি লাগা, পেশী ব্যথা, মাথাব্যথা, স্বাদ বা গন্ধ না পাওয়া, গলা ব্যথা, জমাট বাঁধা, নাক দিয়ে পানি পড়া, বমি বমি ভাব ও ডায়রিয়া। জেএন.১ এর বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য করোনার বিদ্যমান পরীক্ষা, চিকিৎসা ও টিকাই যথেষ্ট বলে ধারণা করছে সিডিসি।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page