March 15, 2026, 9:41 pm
শিরোনামঃ
আগামী কাল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে ভিয়েনায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে রংপুরে ছেলেকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা বাগেরহাটে দোকান বন্ধ করে ফেরার পথে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা চট্টগ্রামে স্বামীর ইটের আঘাতে স্ত্রী নিহত ইরানের সরকার পতন হলে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত নির্বাসিত ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভি
এইমাত্রপাওয়াঃ

৬ ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার বিজার্ভ নিয়ে শক্তিশালী অবস্থানে চীন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ছয় ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার বিজার্ভ নিয়ে শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে চীন। তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থের অর্ধেকই ‘লুকিয়ে’ রাখা হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য এটি নতুন ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থনীতিবিদ ব্র্যাড সেটসার।

নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য চায়না প্রজেক্টের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও রাজস্ব বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা ব্র্যাড সেটসার লিখেছেন, দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের একটি বড় অংশই পিপলস ব্যাংক অব চায়নার অফিসিয়াল নথিতে দেখানো হয় না। এর পরিবর্তে, এসব ‘ছায়া রিজার্ভ’ চীনের রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক ঋণদাতা এবং পলিসি ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়।

তবে গত কয়েক বছরে চীনের অফিসিয়াল রিজার্ভ খুব একটা বাড়েনি। কিন্তু দেশটির রপ্তানি উদ্বৃত্তের পাশাপাশি ‘লুকোনো রিজার্ভ’ আরও বেড়েছে।

এই মার্কিন অর্থনীতিবিদ বলছেন, রিজার্ভ নিয়ে চীনের মধ্যে যে স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে তা বিশ্বের জন্য কিছুটা সমস্যার। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চীন এতটাই কেন্দ্রীয় অবস্থানে রয়েছে যে, তারা প্রকাশ্যে বা লুকিয়ে যা কিছুই করে সেটা শেষ পর্যন্ত বিশ্বের বাকি অংশের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

তবে ‘লুকিয়ে’ রাখা রিজার্ভের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি চীনের স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব ফরেইন এক্সচেঞ্জ।

বাইডেন প্রশাসনের সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা সেটসার মতে, চীনের রিজার্ভের প্রভাবের একটি উদাহরণ হলো-বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পে তাদের অর্থায়ন। মূলত অর্থনৈতিক সংকটের ধাক্কার পর দখলদারিত্ব বাড়াতেই ওই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চীন এত বড় একটি অর্থনীতির দেশ এবং এমন একটি ভারসাম্যহীন অর্থনীতি যে, এর সব
ধরনের কার্যকলাপেই বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে।

সেটসার বলেন, চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভবত ছয় ট্রিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক সম্পদ আছে। কিন্তু গত বছরের শেষ দিকে অফিসিয়াল রিজার্ভ দেখানো হয়েছিল ৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক অর্থের বিষয়েই কিছু জানানো হয়নি।

বর্তমানে নিউইয়র্কভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের সিনিয়র ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সেটসার। তিনি বলেন, চীনের অভ্যন্তরীণ ঋণ সমস্যা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এই বড় অংকের ‘লুকোনো রিজার্ভ’ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, দেশটি এখনো বিশ্বব্যাপী বড় ঋণদাতা। তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রভাব এখনো বিশ্বজুড়ে প্রভাব ফেলছে। তার মতে, চীনের অভ্যন্তরীণ ঋণ সমস্যা নিয়ে আলোচনার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিই অনেক সময় আর প্রকাশ পায় না। সূত্র: ব্লুমবার্গ

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page