June 27, 2026, 5:31 pm
শিরোনামঃ
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ইন্তেকাল করেছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ভারতীয় মাদক সিরাপ উদ্ধার মাগুরায় ওয়াইফাই ব্যবসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ; সংবাদ সম্মেলনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের অন্যদের মতোই সমঅধিকার দেবে সরকার : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ : তথ্য উপদেষ্টা ফরিদপুরে কলেজ শিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা লালমনিরহাটে দুই পুলিশকে কুপিয়ে পালালো আসামি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষর ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
এইমাত্রপাওয়াঃ

সারাদেশে ইট উৎপাদন বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল ইট প্রস্তুতকারকরা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  ইটভাটাকে শিল্পখাত হিসেবে ঘোষণাসহ সাত দফা দাবি না মানলে সারাদেশে ইট উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী সমিতির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান।

তিনি বলেন, আগামী ২৫ মার্চ থেকে পরবর্তী ১৫ দিন সারাদেশে ইট বিক্রি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপরও দাবি বাস্তবায়িত না হলে আগামী বছর থেকে দেশের সব ইটভাটা থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এর আগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইটভাটার মালিক ও শ্রমিকরা জেলা সদর এলাকায় জড়ো হন। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসক কাযালয়ে সমাবেশ করেন তারা। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দেন বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির নেতারা।

সমাবেশে মালিক সমিতির নেতারা বলেন, এই শিল্পে প্রায় ৫০ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সবকিছুই মিলিয়ে প্রায় দুই কোটি মানুষের রুটিরুজির ব্যবস্থা করা হচ্ছে এখান থেকে। এছাড়া এই খাতের মালিকদের প্রায় আট হাজার কোটি টাকার ব্যাংকে ঋণ রয়েছে। ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে এই ঋণের টাকা অনাদায়ী থেকে যাবে। হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার।

ইটভাটার ছাড়পত্র ও লাইসেন্সপ্রাপ্তির জটিলতার নিরসনের জন্য বাংলাদেশের ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি সাত দফা দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। দাবিগুলো হলো-

১. জিগজ্যাগ ইটভাটার জন্য দূরত্ব সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা;

২. ইটভাটায় প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান স্থগিত করা;

৩. সরকার যদি কোনো ইটভাটা বন্ধ করে তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে;

৪. মাটি কাটার অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসকের প্রত্যয়নপত্র নেওয়ার বিধান বাতিল করতে হবে;

৫. পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় লাইসেন্স গ্রহণ ও নবায়নের ক্ষেত্রে মালিক সমিতির প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে;

৬. ইটভাটাকে শিল্পখাত হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে; এবং

৭. ইটভাটা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও পূূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page