March 10, 2026, 2:43 am
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তামাকের প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে বিএনপি সবসময় কাজ করেছে : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী নেত্রকোনায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করল বাবা-ছেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সালিশকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত নারায়ণগঞ্জে কর্তব্যরত পুলিশের কাছ থেকে পিস্তল ছিনতাই নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিযুক্ত হলেন মোজতবা খামেনি
এইমাত্রপাওয়াঃ

লালমনিরহাটে মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ অসম্পূর্ণ ; নামাজ পড়তে পারছেন না মুসল্লিরা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : লালমনিরহাট সদরে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধনের দুই বছর পার হলেরও মুসল্লিদের নামাজের সুযোগ হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি বন্ধ পড়ে থাকায় স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত মসজিদটি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গণপূর্ত বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার ধাইরখাতা এলাকায় প্রায় ৪৮ শতক জমির ওপর মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১২ কোটি ৬০ লাখ টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় ঢাকার সাজিন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ মার্চ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি মসজিদটির উদ্বোধন করেন। তবে উদ্বোধনের আগেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও, নামাজ আদায়ের পরিবেশ তৈরি হয়নি আজও।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদের বাইরে সীমানা প্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ এখনও অসম্পূর্ণ। পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ না হওয়ায় মুসল্লিরা নামাজ আদায় করতে পারছেন না।

স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘসূত্রতার কারণে তারা বহুদিন ধরে মসজিদটি ব্যবহার করতে পারছেন না। তাদের দাবি, দ্রুত কাজ শেষ করে মসজিদটিতে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

সদর মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবেদ আলী বলেন, উদ্বোধনের এতোদিন পরও মুসল্লিদের নামাজের সুযোগ হয়নি। গণপূর্ত বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের দপ্তরে বহুবার যোগাযোগ করা হলেও কাজ শেষ হয়নি।

একই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদেরও। তিনি জানান, জেলা প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা দ্রুত নামাজের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিলেও তিন-চার বছর পার হয়ে গেছে। প্রতিদিন অল্প শ্রমিক দিয়ে ধীর গতিতে কাজ চললেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।

তার দাবি, বিদ্যুৎ সংযোগসহ অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করে মসজিদটি উন্মুক্ত করা হোক।

এ বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ এইচ এম শাহরিয়ার জানান, নকশাগত পরিবর্তনের কারণে কাজ শেষ হতে সময় লেগেছে। বর্তমানে শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ বাকি রয়েছে। নেসকো বিদ্যুৎ সংযোগ দিলেই মসজিদটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page