May 31, 2026, 1:02 pm
শিরোনামঃ
জঙ্গল সলিমপুরে কোনো সন্ত্রাসীর অভয়ারণ্য থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামিসা হত্যাকাণ্ডে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে আদালতে : আইনমন্ত্রী নবম পে-স্কেলে অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন যারা নোয়াখালীতে তরুণকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা পটুয়াখালীতে তালাবদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে উড়ানো হলো জাতীয় ও দলীয় পতাকা চীন-পাকিস্তানকে চাপে রাখতে সাবমেরিন শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত : কে. ত্রিপাঠী ইরানে আমাদের হামলা করা উচিত হয়নি : ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রোবটের দাপট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
এইমাত্রপাওয়াঃ

চীন-পাকিস্তানকে চাপে রাখতে সাবমেরিন শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত : কে. ত্রিপাঠী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারত মহাসাগরে চীন ও পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের সাবমেরিন সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। শনিবার (৩০ মে) ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে. ত্রিপাঠী।

পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতের নৌবাহিনী-প্রধান বলেন, ভারত মহাসাগরে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বাইরের শক্তিগুলোর উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে। এ বিষয়ে আমরা পুরোপুরি সতর্ক রয়েছি। এই অঞ্চলে বাইরের শক্তির ক্রমাগত উপস্থিতি আমাদেরকে সহযোগিতার যুগ থেকে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার যুগে নিয়ে যাচ্ছে।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন-পাকিস্তানের যৌথ তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তান নৌবাহিনীতে চীনের তৈরি চারটি আধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন যুক্ত হয়েছে।

 

এ প্রসঙ্গে অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, একটি পেশাদার নৌবাহিনী হিসেবে আমরা আশপাশের সব ঘটনা খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সব কর্মকাণ্ডই হুমকি-সচেতন এবং সক্ষমতাভিত্তিক।

 

তিনি আরও জানান, ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার ‘প্রজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া’ (পি-৭৫আই) নামে একটি বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর আওতায় শিগগিরই ছয়টি অত্যাধুনিক স্টেলথ সাবমেরিন এবং দুই শতাধিক যুদ্ধজাহাজ নৌবাহিনীতে যুক্ত হবে। এসব জাহাজ ও সাবমেরিন দেশীয় প্রযুক্তি ও অর্থায়নে তৈরি করা হবে।

 

অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী জোর দিয়ে বলেন, আমরা আত্মনির্ভর ভারত নীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে আমরা এগোচ্ছি না। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে ভারতের ন্যায্য স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং এই অঞ্চলকে একটি স্থিতিশীল, মুক্ত, খোলা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা।

 

এই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।



Our Like Page