February 18, 2026, 5:42 pm
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের আকাশে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে ;  রোজা শুরু আগামীকাল বৃহস্পতিবার দ্রুত পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচন আয়োজন : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মব পুরোপুরি বন্ধ ; তবে যৌক্তিক দাবিতে মিছিল করা যাবে :  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জুলাই সনদ ‘অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক’ ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শ্রদ্ধা নিবেদন যেসব সুবিধা পাবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা চাঁদপুরে অসহায় ২০০ শত পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কক্সবাজারের টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ যশোরে যুবকের পেটে মিলল ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা
এইমাত্রপাওয়াঃ

আজ বেদনাবিধুর ও কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :   আজ ৩ নভেম্বর বেদনাবিধুর ও কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস। রাতের আঁধারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

তাই দিনটিকে জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

এই নির্মম ঘটনার ঠিক আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ষড়যন্ত্র, ক্ষমতার পাল্টাপাল্টি দখলের ধারাবাহিকতায় রাতের আঁধারে কারাগারে বন্দী অবস্থায় ৪৯ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে।

টালমাটাল এবং উত্তেজনাকর এক পরিস্থিতিতে ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে কারাগারের সামনে একটি পিকআপে করে আসে কয়েকজন। সেসময়ের রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমেদ ফোন করে নির্দেশ দেন সেনা সদস্যরা যা করতে চায় তাদের যেন তা করতে দেওয়া হয়। রাত ৩টার পর তখনকার জেলার আমিনুর রহমানের কাছে জাতীয় চারনেতাকে একত্রিত করার নির্দেশ আসে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দিন আহমদ যে সেলে ছিলেন সে কক্ষে মনসুর আলী এবং কামরুজ্জামানকে নিয়ে আসা হয়। এরপর সেখানেই গুলি করে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৮। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন। সাজাপ্রাপ্ত এই ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই ধরাছোঁয়ার বাইরে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আজকের বাংলা তারিখ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  


Our Like Page