March 10, 2026, 7:03 pm
শিরোনামঃ
৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ রাষ্ট্র পরিকল্পনার প্রথম পদক্ষেপ ফ্যামিলি কার্ড : অর্থমন্ত্রী নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : বাণিজ্যমন্ত্রী নিরাপদ ও সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার : সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু গোপালগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য আইফোন ছিনিয়ে বন্ধুকে হত্যা হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলে অত্যাধুনিক ক্লাস্টার ওয়ারহেড ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহু নিহতের দাবি করেছে ইরান আমার অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন নেতা টিকবেন না : ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ড দখলের ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও জোর দিয়ে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো না কোনোভাবে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবেই। সম্প্রতি তেল শিল্পের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করেন, দ্বীপটির বাসিন্দারা বা ডেনমার্ক বিষয়টি পছন্দ করুক বা না করুক, ওয়াশিংটন সেখানে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে।

ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড দখল না করে, তবে সেখানে রাশিয়া বা চীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, রাশিয়া বা চীনকে তিনি প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চান না। এই লক্ষ্য অর্জনে ট্রাম্প ‘সহজ উপায়ে’ বিষয়টি মিটমাট করতে পছন্দ করলেও প্রয়োজনে ‘কঠিন উপায়ে’ বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডকে লিজ নেওয়ার বদলে কেন পুরোপুরি মালিকানা নিতে চান—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন যে, কোনো জায়গাকে সঠিকভাবে রক্ষা করতে হলে তার মালিক হওয়া প্রয়োজন। লিজ নেওয়া জায়গায় সেই পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রুশ সংবাদসংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নিয়ে কথা না বললেও ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পথ খোলা রেখেছেন। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও তিনি এই দ্বীপটি কব্জায় নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। এমনকি হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিটও নিশ্চিত করেছেন যে, ট্রাম্প সক্রিয়ভাবে সহযোগীদের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই অনড় অবস্থানের বিপরীতে গ্রিনল্যান্ড বর্তমানে ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষার দায়িত্ব ন্যাটোর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত। তবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আশা প্রকাশ করেছেন, গ্রিনল্যান্ড প্রথমে স্বাধীনতা অর্জন করবে এবং পরে শান্তিপূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হবে।

কিন্তু হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বিবৃতি অনুযায়ী, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের কাছে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্প সবসময়ই উন্মুক্ত রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তিনি কোনো আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করেন না এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার খাতিরে গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা অর্জনকেই তিনি এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন।

গ্রিনল্যান্ডের এই সংকটের মধ্যেই বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের এমন আগ্রাসী মনোভাবের ফলে ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। একদিকে ডেনমার্ক তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলছে, অন্যদিকে ট্রাম্প ‘মালিকানা’র দাবিতে অনড়।

খনিজ সম্পদে ভরপুর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যকার প্রতিযোগিতা এখন এক বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। ট্রাম্পের ‘সহজ বা কঠিন’ উপায়ের যে কোনো একটির প্রয়োগ গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ এবং বিশ্ব শান্তিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page