স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বজ্রাপুর গ্রামে পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জনগণের হাতে একজন আটক হলেও অন্য দু’জন টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে গেছে।
সোমবার ১২ জানুয়ারী ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বজ্রাপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ ঢালীর ছেলে মো. আবুল হোসেন (৫৮) এর বসতবাড়িতে দুঃসাহসিকভাবে ডাকাতির চেষ্টা চালায় তিনজন। তারা বাড়ির প্রধান ফটক কেটে ও তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে।
বাড়ির মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকায় চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে আসে এবং এক ডাকাতকে ধরে ফেলে।

স্থানীয় জনতা সাথে সাথে মহেশপুর থানায় খবর দিলে, থানার অফিসার ইনচার্জ খালিশপুর থেকে কোটচাঁদপুর সীমানা পর্যন্ত রাত্রিকালীন হাইওয়ে ডিউটিতে থাকা পুলিশ দলকে ঘটনাস্থলে পাঠান।
জনতার হাতে ধৃত ডাকাত মো. শান্ত (২৭), পিতা কামরুল শেখ, সাং কাস্ট সাগরাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, তারা তিনজন ছিল এবং বাকি দুইজন মোটরসাইকেলে পালিয়ে গেছে। পলাতকদের একজন সুমন, বাড়ি ঝিনাইদহের আরাপপুর এলাকায়।
ধৃত ডাকাত ও বাড়ির মালিক উভয়ই জানিয়েছেন, ডাকাতেরা পুলিশের পোশাক পরিহিত ছিল এবং তাদের কাছে খেলনা পিস্তল, সেলাই রেঞ্চ ও দেশীয় অস্ত্র ছিল। তাদের দু’জন নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আমরা পলাতক ব্যাক্তিদের শনাক্ত করেছি এবং তাদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চলছে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া ঘটনার পেছনের চক্র সম্পর্কে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তিনি স্থানীয় জনগণকে সচেতন থাকার অনুরোধ জানান ।