অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ওমানের মধ্যস্থতায় মাসকাটে পরমাণু বিষয়ক আলোচনা শুরু করেছেন।
মাসকাটে অবস্থান করছেন আমাদের প্রতিনিধি মিসেস শিবানি। তিনি আলোচনার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছেন, আলোচনাটি হচ্ছে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যস্থতায়। এরিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে ইরানের প্রস্তাবগুলো ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরান এবারের পারমাণু আলোচনায় যে বিষয়গুলো সামনে আনতে চায় এবং যেগুলো নিয়ে দরকষাকষি করতে চায় সেগুলোর একটি তালিকা ওমানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যদিয়েই মূলত: আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, এই দফার আলোচনায় উভয় পক্ষের আন্তরিকতা অনেক বেশি, কারণ উভয় পক্ষই চায় আলোচনার একটি ফল বেরিয়ে আসুক। দীর্ঘমেয়াদি ও সময়সাপেক্ষ আলোচনা কোনো পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়। দুই পক্ষের প্রতিনিধিদলের আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, তারা সমাধানে পৌঁছাতে আগ্রহী। মনে হচ্ছে দ্রুতই আলোচনার কাঠামো ও রূপরেখা স্পষ্ট হবে।
ইরানের যে প্রস্তাব দিয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে পারমাণবিক কাঠামোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বাতিলের শর্ত মেনে নেবে না এবং তেহরান বারবারই এ কথা ঘোষণা করেছে। তবে তেহরান পারমাণু কর্মসূচির বিভিন্ন খুঁটিনাটি প্রসঙ্গ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কথা বলেছেন, অর্থাৎ তিনি চান না ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক- এই ধরনের বিষয়ে আলোচনা করতে ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে, কারণ ইরান চায় সন্দেহ দূর করতে, আলোচনা করতে এবং মার্কিন পক্ষ যে স্বচ্ছতা চায় তা নিশ্চিত করতে।#