অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : আসন্ন রমজানের আগেই ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর থেকে বাড়ি ভেঙে ১৫টি ফিলিস্তিনি পরিবারকে উৎখাত করা হয়েছে। আল-মালিহ গ্রাম পরিষদের প্রধান মহদি দারাঘমেহ স্থানীয় ওয়াফা সংবাদ সংস্থাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
ওয়াফা জানিয়েছে, কাছাকাছি মাইতা কমিউনিটির আরও সাতটি পরিবার কয়েকদিন আগে একই ধরনের হুমকি ও আক্রমণের কারণে স্থানান্তরিত হয়।
একইসাথে, নবি সামউইল গ্রামে কয়েকজন পুরুষের ওপর হামলা চালিয়ে এক ব্যক্তিকে গুরুতর আহত করে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় রেইড এবং ধ্বংসযজ্ঞ বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নাবলুস, আল খাদের ও সালফিত এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
ইসরায়েলি সরকার অধিকৃত এলাকায় নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনি জমি বিক্রয় সহজ করা এবং ফিলিস্তিনি জমি ‘রাষ্ট্রীয় জমি’ হিসেবে নিবন্ধনের অনুমোদন করা।
এই সপ্তাহে ইসরায়েলি সরকার আরও একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যাতে পশ্চিম তীরের বড় এলাকা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত হবে। ফলে ফিলিস্তিনিদের জমির মালিকানা প্রমাণের ঝামেলা আরও বাড়বে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ, জমি জব্দ, নিয়ন্ত্রণ দৃঢ় করা এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ সার্বভৌমত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকার ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে গুরুতর উস্কানি।
সরকারি ফিলিস্তিনি তথ্য অনুযায়ী, শুধু পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে অন্তত ১,১১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত, প্রায় ১১,৫০০ আহত এবং প্রায় ২২,০০০ গ্রেফতার হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা