অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, ইরানের সামনে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘ভালো চুক্তি’ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এজন্য তেহরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্রের পথ ত্যাগ করতে হবে। একসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ ক্রমেই বিস্তৃত হয়ে বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
হেগসেথ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবরোধের ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলো এখন মার্কিন নৌবাহিনীর কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে।
তার ভাষায়, ‘আমাদের অবরোধের পরিধি বাড়ছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে।’
এসময় তার পাশে থাকা শীর্ষ মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন জানান, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের সব বন্দরে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে।
কেইন বলেন, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অন্তত ৩৪টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ইরানের দিকে যাওয়া বা সেখান থেকে বের হওয়া প্রতিটি জাহাজের ওপর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে এসব জাহাজের গতিরোধ করতেও প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এসময় আরও সতর্ক করে হেগসেথ জানান, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের যেকোনো মাইন পাতার প্রচেষ্টা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে।
তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে যান চলাচল হচ্ছে, যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সীমিত এবং এতে ঝুঁকিও অনেক বেশি। কিন্তু এর কারণ হলো, ইরান ছোট ও দ্রুতগামী অস্ত্রসজ্জিত নৌকা দিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করছে।’
হেগসেথ আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে ওয়াশিংটন ‘উদ্বিগ্ন নয়’ এবং তাদের হাতে যথেষ্ট সময় রয়েছে। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে বলেন, তেহরানের উচিত ‘বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে’ আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা এবং যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানো।
এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের মধ্যে শিগগিরই শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে বলে পাকিস্তানের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।