অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জার্মানি থেকে পাঁচ হাজার সেনা প্রত্যাহারের যে ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে, সেটি ‘অনুমিত’ অর্থাৎ আগে থেকেই অনুমান করা যাচ্ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে সামরিক জোট ন্যাটো।
রোববার (৩ মে) বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিস্টোরিয়াস বলেন, ইউরোপে বিশেষ করে জার্মানিতে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি দুই দেশের স্বার্থেই গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ন্যাটোর মুখপাত্র অ্যালিসন হার্ট।
ইরান যুদ্ধে ভূমিকা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিক মের্ৎসের মধ্যে বিরোধ দেখা দেওয়ায় হঠাৎ করে যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপটি এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎসের সমালোচনা করার পর, কারণ তিনি বলেছিলেন, চলমান যুদ্ধে ইরানের আলোচকদের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপদস্থ’ হয়েছে।
বর্তমানে জার্মানিতে ৩৬ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে। এটাই ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি। অন্যদিকে ইউরোপের দেশ ইতালিতে মার্কিন সেনা মোতায়েনের সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার এবং যুক্তরাজ্যে ১০ হাজার।
এর আগে, শনিবার এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, শুধু পাঁচ হাজার নয়, এর চেয়ে বেশি সেনা কমানো হবে। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।