October 8, 2026, 1:35 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যশোরে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রতিবন্ধী হত্যার দায়ে মামলা ; পুরুষ শূন্য গ্রাম দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু ; এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ; সুইস নাগরিকের তথ্য চাইলো ইউএই শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু ; আহত ৪ জন রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ২৩৪ জন আটক ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
এইমাত্রপাওয়াঃ

তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাবে বাংলাদেশের তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার খাতে ভর্তুকির চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সরকার প্রাথমিকভাবে হিসাব করেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত এসব খাতে অতিরিক্ত প্রায় ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন হতে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, চার খাতের মধ্যে তেলে প্রায় ১০ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা, গ্যাসে ১১ হাজার ১৭০ কোটি টাকা, বিদ্যুতে ১৯ হাজার ৮২১ কোটি টাকা এবং সারে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রয়োজন হতে পারে। তা সত্ত্বেও সরকার সাধারণ জনগণ, কৃষি ও উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, এলএনজি ও সারের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের আমদানি ব্যয় এবং উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ, পরিবহন, কৃষি ও শিল্প খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পরোক্ষভাবে মূল্যস্ফীতি এবং বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রবাসী আয় এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি অনুভূত হতে পারে।

তিনি জানান, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা অবলম্বন এবং নতুন শ্রমবাজার খোঁজা।

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে খাতভিত্তিক ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পাওয়া গেলে সরকার প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণ, কৃষক এবং উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।



Our Like Page