অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সরকার নির্ধারিত কিলোমিটারে ১৭ পয়সার চেয়ে এক পয়সাও বেশি ভাড়া আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি জানিয়েছেন, বাড়তি ভাড়া নিলে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হবে এবং পরবর্তীতে ওই পরিবহন আর কোনো রুট পারমিট পাবে না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাস ভাড়া বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে সড়ক মন্ত্রী বলেন, প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ও জাতীয় নীতিমালার হিসাব অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে এক টাকা বাড়লে বাস ভাড়া কিলোমিটারে এক পয়সা বাড়ে। সেই হিসেবে লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধির কারণে কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানো যৌক্তিক ছিলো। কিন্তু আমরা সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক হারের চেয়েও কম, অর্থাৎ কিলোমিটারে মাত্র ১৭ পয়সা বাড়াতে সমর্থ হয়েছি।
তিনি বলেন, ১৭ পয়সার চেয়ে এক পয়সাও অতিরিক্ত ভাড়া বাড়ানো বা আদায় করা যাবে না। কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হবে।
সড়ক পথের পাশাপাশি রেল ও নৌপথের ভাড়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ট্রেন ও লঞ্চের ভাড়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আগামী পরশু (বৃহস্পতিবার) একটি বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।
রেলভাড়া প্রসঙ্গে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সড়ক ও সেতু মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে ট্রেনের ভাড়া যেন কোনোভাবেই না বাড়ে, আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সেই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
এর আগে একই দিন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকের পর বাস ভাড়ার তথ্য জানান জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
তিনি জানান, নতুন পুনঃনির্ধারিত হার অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে এখন প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া দাঁড়াবে দুই টাকা ৪০ পয়সা। আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বাস ও মিনিবাসের প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া দুই টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।