July 2, 2026, 5:50 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরের কৃষকদের মাঝে ফলদ-বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ মাগুরায় নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা সভা ট্যাক্স দেয় না সরকারের একাধিক প্রতিষ্ঠান ; ২৫ মন্ত্রণালয়ে চসিকের চিঠি জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার  পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে ১ লাখ টাকা জরিমানা তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত চীন : ইয়াও ওয়েন হবিগঞ্জে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার খুলনায় ৪ দিনের মাথায় ফের যুবক গুলিবিদ্ধ কাতারে পরোক্ষ বৈঠক শেষে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান : পাকিস্তান
এইমাত্রপাওয়াঃ

জলবায়ু পরিবর্তনে দিনে ২ হাজার অভিবাসী ঢাকায় আসছে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দিনে ২ হাজার অভিবাসী ঢাকায় পৌঁছায়। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তারা ঢাকা আসছে। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এই চিত্র আরও বেশি দেখা যাবে ২০২৩ সালে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। সাব-সাহারান আফ্রিকা, পূর্ব এশিয়া, প্যাসিফিক অঞ্চল ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। বৈরি আবহাওয়ার কারণে অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে যাবে বা বেশি দৃশ্যমান হবে। বাড়ি-ঘর ছাড়তে বাধ্য হবে মানুষ। যেমনটা দেখা গেছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর ও আগস্টে পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যার ক্ষেত্রে। এই বন্যায় ৩৩ মিলিয়ন মানুষ গৃহহীন হয়।

২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় ১৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এই জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলে।

প্রাকৃতিক জলবায়ু ব্যবস্থা, যা লা নিনা নামে পরিচিত। এটি বিশ্বে বৃষ্টিপাতের ধরণকে প্রভাবিত করছে। দরিদ্র দেশগুলোতে পরিস্থিতি বিধ্বংসী হয়ে উঠছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে পড়ে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ে শস্যের উৎপাদনে, সমুদ্রের পানিতে প্লাবিত হয় গ্রাম। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বহুমুখী। দরিদ্র বাড়ানোর পাশাপাশি সংঘাত সৃষ্টিতেও রয়েছে এর অবদান। বিশ্ব ব্যাংক এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় ১৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে এই জলাবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের ফলে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব বাস্তুচ্যুতদের তিন-চতুর্থাংশ নিজে দেশের সীমানার মধ্যে অবস্থান করবে। সরকারগুলো ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ ফান্ডিং বাড়ানোর দাবি জোরালো করবে। অধিক কার্বন নিঃসরণের জন্য ধনীদেশগুলো এই ফান্ড দিয়ে থাকে। আগামী বছর ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ হবে আলোচিত ইস্যু।

অন্যদিকে যেসব দেশে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা অধিক তারা এই বিষয়ে কাজ শুরু করবে। ঢাকায় যারা আসছে তাদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। অন্যত্র চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে, বাড়ানো হচ্ছে এ সম্পর্কিত অবকাঠামো। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে মংলা বন্দর। সেখানে বিনিয়োগ বাড়ানোর ফলে গত দশকে জনসংখ্যা বেড়েছে কয়েক গুণ। একই ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়েছে ইথিওপিয়া ও ঘানা।

 

 

আজকের বাংলা তারিখ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page