September 7, 2026, 2:39 pm
শিরোনামঃ
সংঘাত ও প্রতিশোধ নয় বরং সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে : রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস জাপানের একজন ডেপুটি ও দুজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ এক উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের ভোট একসঙ্গে হবে : ইসি সচিব ‘রাজশাহীতে দেশবাসী তৈরি হও’ স্লোগানে যুবলীগের মিছিল যশোরে যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক জ্বালানি তেল কিনতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এবার রাশিয়ার তোপের মুখে ভারত  দক্ষিণ কোরিয়াকে ইরানের হুঁশিয়ারি ; যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালে কোনো ছাড় নয় দূষণমুক্ত নদী রেখে যেতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তন খাদ্য নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে : খাদ্যমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তন আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

রোববার (২১ মে) দুপুরে ওল্ড ইন্ডিয়া হাউজে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত ফুড সিকিউরিটি অ্যান্ড ইমপর্টান্স অব মিলেট শীর্ষক প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার ঊর্ধ্বগতি ও জলবায়ুর বিরূপ পরিবর্তন আমাদের খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। ধান ও গমের উৎপাদন কম হলে সারা পৃথিবীতে খাদ্য সংকট দেখা দেয়। ফলে চাল ও গমের দামও বেড়ে যায়। এ সংকট কাটাতে মিলেট (স্মল গ্রেইন সিরিয়ালস) উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, প্রাচীনকাল থেকে উপমহাদেশে মিলেটের উৎপাদন ও ব্যবহার ছিল। এটির চাষ করতে খরচ কম কিন্তু পুষ্টিমান বেশি ও জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সক্ষম। আমাদের দেশে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মিলেট চাষের উপযোগী আবহাওয়া রয়েছে। এছাড়া দেশের কিছু অঞ্চলে কাউন ও চিনা আবাদ হয় যা মিলেট গোত্রের ফসল। যেসব জমিতে ধানের আবাদ হয় না কিংবা খরা প্রবণ সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মোতাবেক এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না রেখে মিলেট চাষ করা যেতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আমাদের চরাঞ্চলেও মিলেট সম্ভাবনাময় ফসল হতে পারে। মিলেট যেহেতু পুষ্টিমান সম্পন্ন তাই এর চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণে সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। মিলেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে ভারত ও বাংলাদেশ একযোগে কাজ করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘ ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের বাংলাদেশ রিপ্রেজেনটেটিভ রবার্ট ডি সিম্পসন। কি নোট পেপার উপস্থাপন করেন শেরে বাংলা অ্যাগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. মির্জা হাসানুজ্জামান।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের ৭৫তম সাধারণ অধিবেশনে ২০২৩ সালকে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব মিলেট ঘোষণা করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দেশে মিলেট নিয়ে সভা, সেমিনার ও প্রদর্শনী আয়োজন করে আসছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

 

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page