March 15, 2026, 4:26 am
শিরোনামঃ
জনগণকে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি : প্রধানমন্ত্রী সংসদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সরকার বহুদলীয় গণতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী প্রতি শনিবার দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে : ভূমিমন্ত্রী নীলফামারীতে যুবককে কুপিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ঝিনাইদহে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে নিহতের মরদেহ ভ্যানে চড়িয়ে বিক্ষোভ যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প ওমান ছাড়তে মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীদের নির্দেশ যুদ্ধে অংশ নিতে মধ্যপ্রাচ্যের পথে ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সেনা ইউয়ানে দাম মেটানো হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন করতে দিতে পারে ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

খেরসনে বাঁধ ধ্বংস ; ইউক্রেনের বিপুল কৃষিজমি প্লাবিত ; ক্ষতির মুখে রাশিয়ারও

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : খেরসনের নোভা কাখোভকা বাঁধ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় ইউক্রেনের বিশাল এলাকায় যে বন্যা দেখা দিয়েছে, তাতে প্লাবিত হয়েছে বিপুল কৃষিজমি। এর ফলে দেশটির কৃষিখাতে দীর্ঘস্থায়ী বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্মকর্তারা।

বুধবার (৭ জুন) দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে, দক্ষিণ ইউক্রেনের মাঠগুলো আগামী বছরের শুরুর দিকেই ‘মরুভূমিতে পরিণত হতে পারে’। কারণ কাখোভকা জলাধারের ওপর নির্ভরশীল সেচ ব্যবস্থাগুলো আর কাজ করছে না।

জলাধারটি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। আনুমানিক ৪ দশমিক ৪ ঘনমাইল পানি গর্জন করতে করতে দিনিপ্রো নদী বেয়ে কৃষ্ণসাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেনীয় কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে ওই এলাকার ৩১টি সেচব্যবস্থার মাধ্যমে ৫ লাখ ৮৪ হাজার হেক্টর কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ করা হতো। এই পানির একমাত্র উৎস ছিল কাখোভকা জলাধার।

মন্ত্রণালয়ের ফার্স্ট ডেপুটি মিনিস্টার তারাস ভিসোটস্কি বলেন, এই পানি নেওয়া এবং পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাঁধ ও পাম্পিং স্টেশনটি আমাদের প্রয়োজন ছিল। সেটি এখন ধ্বংস হয়ে গেছে। কৃষকদের জন্য যদি আবার পানির লাইন করতে হয়, তবে তা গোড়া থেকে শুরু করতে হবে।

খেরসন ইউক্রেনের অন্যতম উর্বর এলাকা। সেখানকার তরমুজের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। এছাড়া পেঁয়াজ, টমেটো, সূর্যমুখী, সয়াবিন এবং গমও উৎপাদন হয় প্রচুর। এগুলোর পাশাপাশি ডেইরি খাতেও কাখোভকা বাঁধ ধ্বংসের প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ক্ষতি রাশিয়ারও : নোভা কাখোভকা বাঁধ ধ্বংস হওয়ায় ক্ষতি শুধু ইউক্রেনের হচ্ছে, তা নয়। এতে রাশিয়াকেও ভুগতে হবে।

দিনিপ্রো নদীর ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত উত্তর তীরের তুলনায় রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ তীর বরাবর বন্যা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ। তাছাড়া রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও কাখোভকা বাঁধের ওপর নির্ভরশীল। সেটি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় দ্বীপটিতে পানির তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

দিনিপ্রো নদী থেকে যে খালের মাধ্যমে ক্রিমিয়ায় পানি সরবরাহ করা হয়, সেটি ঠিক কাখোভকার ওপর অবস্থিত। কিন্তু জলাধারটি শুকিয়ে গেলে ওই খালে আর কোনো পানি পৌঁছাবে না।

রুশ কর্মকর্তারা বলছেন, খালটিতে এরই মধ্যে পানিপ্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই ক্ষতিকেই তারা বাঁধ ধ্বংসের পেছনে ইউক্রেনের হাত রয়েছে, এমন দাবির সপক্ষে প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

 

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page