অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নাটোরের লালপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় আরও একজনকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমান করা হয়।
আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে রোববার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মো. সুমন আলী লালপুর উপজেলার পোকন্দা গ্রামের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে এবং আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মো. রফিকুল ইসলাম একই গ্রামের আফসার আলীর ছেলে।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দশম শ্রেণি ওই স্কুলছাত্রী (১৫) বাড়িতে বসে পড়াশোনা করছিল। এ সময় আসামি মো. সুমন একটি মাইক্রোবাস নিয়ে বাড়ির সামনে আসেন। এরপর সুমন ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন বাড়িতে ঢুকে জোর করে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মো. সুমনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা লালপুর থানার তৎকালীন এসআই আসাদুজ্জামান ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেন। পরে ওই ছাত্রী আদালতে জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে ডাক্তারি পরীক্ষায় তাকে নির্যাতনসহ ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। ২০১৬ সালের ১০ মে ছয় আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অভিযোগ গঠনের সময় আদালত আসামি মো. সুমন ও রফিকুল ইসলাম ছাড়া বাকি আসামিদের অব্যাহতি দেন।