April 28, 2026, 10:44 am
শিরোনামঃ
পাবনার রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু খাগড়াছড়িতে বিদ্যুৎ বিভাগের ভুলে কৃষকের টিনের ঘরে চলতি মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ইরানকে বড় ছাড় দিতে হবে : ফ্রান্স ১ মে এর পর আইনত যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে ট্রাম্পকে জাতিসংঘ পরমাণু সম্মেলনের সহ-সভাপতি হলো ইরান যুক্তরাষ্ট্র আর অন্য দেশের ওপর হুকুম চালানোর মতো অবস্থায় নেই : ইরান যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যশোরের শার্শার উলসী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সব স্তরের স্থানীয় নির্বাচন শেষ করতে ১ বছর লাগতে পারে : মির্জা ফখরুল ইসলাম অব্যবহৃত সরকারি জমিতে সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ : জ্বালানি মন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারে দূদকের মামলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কারাগারে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারে দুদকের মামলায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদের তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে তিনি ওই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বুধবার আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জাকির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগে কেনিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন। তিনি বাগেরহাট জেলা সদরের বাসাবাড়ী গ্রামের বাহুরুল হকের ছেলে।

২০২২ সালের ১৪ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগে আসামি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামি জাকির ২০২১-২০২২ করবর্ষের আয়কর নথি অনুযায়ী তার নামে ঢাকার ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ের নন্দীপাড়ায় ২৬৩ অযুতাংশ জমির ওপর ৫তলা ভবনসহ এক কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার দুইশ টাকার স্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়।

এছাড়াও জাকিরের সঞ্চয়পত্রে রয়েছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এছাড়াও ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা মূল্যের গাড়ি, নগদ ১৯ লাখ ১৯ হাজার নয়শ ৭০ টাকা ও ব্যাংকে গচ্ছিত ৭২ হাজার ৫০৬ টাকাসহ সর্বমোট ১৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮৭ হাজার চারশ ৭৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

ওই সম্পদের বিপরীতে আয়ের উৎস সম্পর্কে তিনি সঠিক তথ্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হননি বলে ওই সম্পন্ন তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মর্মে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।

তাছাড়া অনুসন্ধানে আসামির নামীয় ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বাগেরহাট শাখায় বিভিন্ন সময়ে ৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার নয়শ ১৩ টাকা, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ভিকারুননিসা নুন স্কুল শাখার ১টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৪ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার নয়শ ৩০ টাকা এবং পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের ধানমন্ডি শাখায় এফডিআর হিসাবে ৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৫ হাজার ১৫৯ টাকাসহ সর্বমোট ৪১ কোটি ৩৬ লাখ ৭ হাজার টাকার লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যাংকগুলোতে লেনদেন করা ওই অর্থের বৈধ উৎস সংক্রান্ত কোনো রেকর্ডপত্র অনুসন্ধানের সময় পাওয়া যায়নি।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page