October 6, 2026, 3:08 am
শিরোনামঃ
আপনারা এক পা এগিয়ে এলে আমিও দুই পা যাবো : রাষ্ট্রপতি প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার নির্মাতা : শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ সরকারের প্রেসক্লাব যশোরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তৌহিদুর রহমান মারা গেছেন যশোরের বেনাপোলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ৩ আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৪ জন আটক যশোরের শার্শায় যুবলীগ নেতা খোকন আটক যশোরের চৌগাছায় গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ১ জন নিহত কুষ্টিয়ায় ভারতে পাচারকালে ৯ হাজার কেজি সার জব্দ নাটোরে আজান দেওয়ার সময় মোয়াজ্জিনকে ছুরিকাঘাত ; মসজিদে মিললো রক্তাক্ত দেহ
এইমাত্রপাওয়াঃ

বগুড়ায় চুরির অপবাদে অটোরিকশা চালককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  মোবাইল ফোন চুরির অপবাদ দিয়ে বগুড়া সদরে শাওয়াল (২৫) নামে এক অটোরিকশা চালককে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার শহরতলির ছোট কুমিড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাওয়ালের মৃত্যু হয়।

শাওয়াল ছোট কুমিড়া পশ্চিমপাড়ার আজিজুল হকের ছেলে। তার মরদেহ আজ দুপুরে শজিমেক হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা আজিজুল হক বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন- নিহতের প্রতিবেশী রেজাউল করিম, তার স্ত্রী সানু বেগম ও মেয়ে আশা খাতুন।

বগুড়া উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) জালাল উদ্দিন মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে বলেন, শাওয়ালের প্রতিবেশী রেজাউল নামে এক ব্যক্তির বাসা থেকে কয়েক দিন আগে একটি অ্যান্ড্রোয়েড মোবাইল ফোন চুরি হয়। ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনি শাওয়ালকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে ডেকে নেন। পরে বাড়ির পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে রেজাউল, তার স্ত্রী ও মেয়ে মিলে শাওয়ালকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি জানতে পেরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মামলা দায়েরের পর রাতেই রেজাউলকে, তার স্ত্রী ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



Our Like Page