01 Mar 2025, 12:24 am

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকা এবং রাশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে সিরিয়া প্রশ্নে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়া ইস্যুতে ডাকা জরুরি বৈঠকে এই বাকবিতণ্ডা হয়।

সম্প্রতি বিদেশী মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো আবার সিরিয়ায় বর্বর তাণ্ডব চালাতে শুরু করেছে এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকা তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ নিয়ে সিরিয়ার অনুরোধে গতকাল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক ডাকার প্রতি রাশিয়া, চীন এবং আলজেরিয়া সমর্থন দিয়েছিল।

বৈঠকে কয়েকটি স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য এবং সিরিয়া ও ইরানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। বৈঠকের শুরুতেই সিরিয়া বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি গেইর অটো পেডারসন বলেন, সন্ত্রাসীদের তৎপরতা সিরিয়র সার্বভৌমত্বকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তিনি জাতিসংঘে পাস হওয়া ২২৫৪ নম্বর প্রস্তাব অনুসারে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সিরিয়ায় রক্তপাত বন্ধের আহ্বান জানান।

বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের পুনর্গঠন এবং মদদ দেয়ার জন্য সরাসরি আমেরিকা ও তার মিত্রদের দায়ী করেন। বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূতও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থানের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের হামলার কারণে সিরিয়ার স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বৈঠকের সভাপতি এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট উড সিরিয়া পরিস্থিতির জন্য আগের মতোই রাশিয়া, ইরান এবং লেবাননের হিজবুল্লাহ প্রতিরোধ আন্দোলনকে দায়ী করেন। একইভাবে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত সিরিয়া সংকটের জন্য রাশিয়া ও ইরানকে অভিযুক্ত করেন।

নিরাপত্তা পরিষদের এ বৈঠকে আরব দেশগুলো সিরিয়ার জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য আহ্বান জানান।

সিরিয়া ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক রাশিয়া ও আমেরিকার বাকবিতণ্ডা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ক্ষণস্থায়ী সামরিক আইন জারির কারণে পদত্যাগের দাবির মুখে পড়েছেন দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল।

গতকাল মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণকালে আকস্মিকভাবে দেশে সামরিক শাসন জারির ঘোষণা দেন তিনি। তার এই ঘোষণার পরপরই সরকার ও বিরোধীদলীয় পার্লামেন্ট সদস্য এবং সাধারণ জনগণ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অবিলম্বে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ ও সামরিক আইন প্রত্যাহারের দাবি জানায়। দক্ষিণ কোরয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ইয়োনহাপ’ এই খবর জানায়।

সামরিক আইন জারির উদ্দেশ্যে হচ্ছে পার্লামেন্টে বিরোধী লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পাটির সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তিনি কোনো আইন পাস করতে পারছিলেন না। পার্লামেন্টের তিনশ’ আসনের মধ্যে উত্তর কোরীয় পন্থী লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পাটির আসন সংখ্যা ১৯০টি।

সামরিক আইন জারির ঘোষণায় প্রেসিডেন্ট ইউন সুক বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট বাহিনীর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সামরিক আইনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ পুনর্গঠন করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিউল থেকে এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

কিন্তু তার এই গোষণার সাথে সাথে পার্লামেন্ট ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় পার্লামেন্ট সদস্য ও সাধারণ জনগণ জড়ো হতে থাকেন। গভীর রাতে পার্লামেন্টে সামরিক আইনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটাভূটি অনুষ্ঠিত হয়। স্পিকার ভোটাভূটির পর বলেছেন, ‘দেশের সংসদ জনগণের পাশে থাকবে।’

সামরিক আইনের বিপক্ষে বেশি ভোট পড়ার পর তিনি সামরিক আইন বাতিল বলে ঘোষণা দেন। রাতেই মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকের পর ভোর সাড়ে ৪টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করা হয়।

বুধবার সকালে প্রেসিডেন্ট জাতির উদ্দেশ্যে আবার ভাষণে বলেন, ‘পার্লামেন্টের ভোটাভূটির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আমি সামরিক আইন তুলে নেওয়ার কথা সেনাবাহিনীকে জানিয়েছি।’

এদিকে বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, ‘দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু একটা করা উচিত। মনে হচ্ছে দেশ একনায়কতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের কাজটি করা মোটেও ঠিক হয়নি।’

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে সাধারণ জনগণ রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করছেন। তারা বলেছেন, ‘আমরা খুবই আতঙ্কিত। এই ধরনের পদক্ষেপ জাতির জন্য লজ্জাজনক।’

উল্লেখ্য, প্রায় চার দশক পর দেশটিতে সামরিক শাসন জারি করা হয়। দেশটির বৃহত্তম শ্রমিক সংগঠন প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে অনিদিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

এদিকে দেশটির বৃহত্তম বিরোধী দল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে পদত্যাগ না করলে তারা পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্টকে ইমপীচ করবে।

 

সামরিক আইন জারির কারণে দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ দাবি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  ইরাকের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন কাতাইব হিজবুল্লাহ সিরিয়ায় উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পুনরুত্থানের প্রেক্ষাপটে বাশার আসাদ সরকারকে সহযোগিতা করতে সিরিয়ায় সেনা পাঠানোর জন্য বাগদাদ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

গতকাল (মঙ্গলবার) টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই আহ্বান জানায়। আশঙ্কা করা হচ্ছে- সিরিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর চলমান তাণ্ডব ও বর্বরতা ইরাকেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কাতাইব হিজবুল্লাহ তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “যেহেতু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতার কারণে ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়েছে, সে কারণে আমরা বিশ্বাস করি সিরিয়া সরকারের সাথে সমন্বয় করে দেশটিতে ইরাকের  নিয়মিত বাহিনী মোতায়েন করা উচিত।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, কাতাইব হিজবুল্লাহ সিরিয়ার জনগণের বিরুদ্ধে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর অপরাধমূলক আগ্রাসনকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে, তবে তারা এখনো সিরিয়ায় তাদের যোদ্ধা পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এদিকে, ইরাকের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের সর্ববৃহৎ জোট পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিট বা পিএমইউ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, সিরিয়ায় যা কিছু হচ্ছে তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর। সংগঠনটি আরো বলেছে, ইসরাইল সহিংসতা ও অস্ত্রবাজির মাধ্যমে এই অঞ্চলের নেতৃত্ব দিতে চায়, এ কারণে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীকে দখলদার সরকার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।

সিরিয়ার  আসাদ সরকারকে সহযোগিতা করতে ইরাকি সেনা পাঠাতে বাগদাদের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  মার্কিন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিকস দেশগুলোকে হুমকি দিয়েছেন যে তারা তাদের বাণিজ্য থেকে ডলার বাদ দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে মার্কিন বাজার হারাতে হবে। ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এক বার্তায় ট্রাম্প ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্য থেকে মার্কিন ডলার বাদ দেওয়ার ধারণাটিকে একটি ব্যর্থ ধারণা হিসাবে বর্ণনা লিখেছেন: “ডলার বাদ দেয়ার প্রচেষ্টা আমরা শুধু দেখছি, কিন্তু ব্যাপারটা অতটা সহজ না।”

এই বার্তার অন্য একটি অংশে, ট্রাম্প লিখেছেন: “এই দেশগুলোকে অবশ্যই আমাদের প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তারা একটি নতুন ‘ব্রিকস মুদ্রা’ তৈরি করবে না বা শক্তিশালী মার্কিন ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রাকে সমর্থন করবে না। অন্যথায় তারা শতভাগ শুল্ক আরোপের মুখোমুখি হবে এবং মার্কিন বাজারে তারা তাদের পন্য বিক্রির সুযোগ হাত ছাড়া করবে।”

এদিকে মস্কোতে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা এবং ব্রিকসের মতো আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতার বিস্তার ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অন্যতম নীতি।

ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ক্রেমলিন : ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ এবং নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করে ব্রিকস দেশগুলোকে ডলার ব্যবহার করতে যে বাধ্য করার চেষ্টা করছে তা বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া হবে।

পেসকভ বলেছেন: “আলোচনা শুধুমাত্র ব্রিকস দেশগুলো নিয়ে নয়।” সাধারণভাবে, যে দেশগুলো তাদের বৈদেশিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার শুরু করেছে তার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি যোগ করেছেন: অন্যদিকে, যদি আমেরিকা অন্য দেশে তাদের প্রভাব খাটিয়ে ডলার ব্যবহার করতে বাধ্য করে, তাহলে জাতীয় মুদ্রা ব্যবহারের প্রবণতা আরো শক্তিশালী এবং তীব্র হবে।

ব্রিকস কার্যক্রমের সাথে রাশিয়ান শিক্ষার্থীদের পরিচিত করা : “ব্রিকস টিভি ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক” এর বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানায়, রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ৫০০ টিরও বেশি শিক্ষার্থী মস্কোতে ব্রিকস উৎসবে জড়ো হয়েছিল। এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা ব্রিকস দেশগুলোর সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্যের পাশাপাশি এই গ্রুপের দেশগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

মস্কো ইউনিভার্সিটি অফ ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইগর পুতিনসেভ বলেছেন যে, ব্রিকস দেশগুলোর ভাষাগুলোতে দক্ষতা অর্জনকারী বিশেষজ্ঞদের প্রশিক্ষণ আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ব্রিকস টিভি নিউজ পোর্টালের সম্পাদক আনা লাইসিনাও উৎসবের বিশেষ অতিথি ছিলেন। তিনি বহুভাষিক পোর্টালের সম্পাদকীয় কাজের বিশেষত্ব সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, শিক্ষার্থীদের কাছে ব্রিকস ব্লগার দল এবং ব্রিকস ভিউ আন্তর্জাতিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক প্রকল্পের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন এবং উৎসবের অতিথিদের কাছে বিদেশী অংশীদারদের সাথে ব্রিকস টিভি তথ্য বিনিময়ের নীতিগুলো ব্যাখ্যা করেন।

ছাত্র সমিতির সভাপতি “আলেকজান্ডার খানারভ”,  ব্রিকস দেশগুলো থেকে ধারণা তৈরি করার জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক ছাত্র প্ল্যাটফর্মের কাজ সম্পর্কেও কথা বলেছেন৷ এছাড়াও, ইন্দো-ইরানীয় এবং আফ্রিকান ভাষা বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক মারিয়া স্টারিকোভা হিন্দি শেখানোর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন, যা প্রায় ৫০ কোটি মানুষ কথা বলে। সেন্টার ফর ওয়ার্কিং উইথ স্কুলস অফ এমজিআইএমও ইউনিভার্সিটি এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক টিভি ব্রিকস এই উৎসবের আয়োজন করে।

জালালি: ইরানের নীতি হচ্ছে রাশিয়া, ব্রিকস সাংহাইয়ের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানো : মস্কোতে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা এবং ব্রিকস গ্রুপের মতো আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সহযোগিতার বিকাশ ইরানের নীতিগুলোর মধ্যে একটি।

মস্কোতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে এবং ব্রিকস জাতীয় প্রতিনিধি এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশগুলোর রেলওয়ে প্রধানদের বৈঠকের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করেছে।

রাশিয়ায় ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি, সড়ক ও নগর উন্নয়ন উপমন্ত্রী জাবার আলী জাকারি এবং ইরানের রেলওয়ের প্রধান এবং ব্রিকস বিষয়ক কর্মকর্তা মাজিদ সামাদজাদেহ সাবেরের উপস্থিতিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।

ব্রিকস দেশগুলো ডলার বাদ দেয়ার চেষ্টা করলে তাদের মার্কিন বাজার হারাতে হবে : ট্রাম্প

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বাংলাদেশে ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশনার আর্জি পেশ করে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহিন আরা লাইলি হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেছেন।

বাসসকে বিষয়টি আজ জানান রিটের পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া।

রিটে তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর, বাংলাদেশ টেলিভিশনের ডিজিসহ সংশ্লিষ্টদের এই রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

 

ভারতীয় টিভি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধে হাইকোর্টে রিট

স্টাফ রিপোর্টার : এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ -৫ পাওয়ার মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহের  মহেশপুরের শীর্ষে স্থান দখল করে নিয়েছেন যাদবপুর কলেজ।

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় যাদবপুর কলেজ থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায় ১২৯ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহন করে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে শতভাগ জিপিএ-৫ সহ ১২৮ ছাত্র-ছাত্রী পাস করেছে।

যাদবপুর কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, কলেজের সকল শিক্ষক-শিখিক্ষা আর অভিভাবকদের প্রচেষ্টার কারনেই আজ যাদবপুর কলেজের এ সুনাম অর্জন করতে পেরেছে।

তিনি আরো জানান, অমি প্রতিটা অভিভাবকে কাছে কৃতজ্ঞ।

মহেশপুরের নামি দামি ১০টি কলেজকে টপকিয়ে যাদবপুর কলেজ আজ শীর্ষে উঠল।

 

 

 

 

এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঝিনাইদহের মহেশপুরের শীর্ষে যাদবপুর কলেজ