August 10, 2026, 10:16 pm
শিরোনামঃ
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল ৭১ ও ২৪-এর শহীদদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠতম মিত্র : তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের মতো দেশে শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় : রুহুল কবির রিজভী স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও পোস্টার নিষিদ্ধ ; আচরণবিধি চূড়ান্ত ৩৪ শ্রেণির ভিসা নিয়ে নতুন নীতিমালা অনুমোদন ঝিনাইদহের মহেশপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ যশোর বোর্ডে ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল যশোরের বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক মাগুরায় অষ্টম শ্রেণির জাল সনদ ও ভুয়া জন্মনিবন্ধন দিয়ে চাকরির অভিযোগ চট্টগ্রামে আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
এইমাত্রপাওয়াঃ

অনেক নাটকের পর মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার হলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মাইক জনসন

মার্কিন কংগ্রেসে স্পিকার ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মাইক জনসন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : অবশেষে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পর অচলাবস্থা কেটেছে। কয়েকবার চেষ্টার পর পরিষদ একজন নতুন স্পিকার পেয়েছে। তিনি হলেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান মাইক জনসন।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ জনসন ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল উলটে দেওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল বুধবার মার্কিন কংগ্রেসে স্পিকার পদের ভোটাভুটিতে লুইজিয়ানা থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান মাইক জনসন পান ২২০ ভোট। স্পিকার পদে জয় পেতে দরকার ছিল ২১৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বি ডেমোক্র্যাটের হেকিম জেফরিস পান ২০৯ ভোট।

রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যানদের মধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়। সবাই তাকে ভোট দেন। কেবল একজন কংগ্রেসম্যান ডেরিক ভ্যান অরডেন অনুপস্থিত ছিলেন। তিন সপ্তাহেরও বেশি আগে কেভিন ম্যাককার্থিকে স্পিকার পদ থেকে অপসারণ করেন রিপাবলিকানরা। এরপর স্পিকার পদে প্রার্থিতা এবং ভোটাভুটি নিয়ে ব্যাপক মতবিরোধ তৈরি হয়। দু’জন স্পিকার বারবার চেষ্টা করেও নির্বাচিত হতে পারেনি। একজনকে মনোনীত করলেও পরের দিনই তিনি সরে দাঁড়ান। গত ৩ অক্টোবর ম্যাককার্থি অপসারিত হন।

৫১ বছর বয়সী মাইক জনসন ট্রাম্পের একজন ঘনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালে প্রথম প্রতিনিধি পরিষদে কংগ্রেসম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি হাউজ রিপাবলিকান কনফারেন্সের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জিওপি ডেপুটি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। জনসন সাংবিধানিক আইন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ইলেক্টোরাল ভোট নিয়ে যে অভিযোগ ছিল তাকে আমলে নিতে রিপাবলিকানদের একটি গ্রুপে মাইক জনসনও ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের প্রথম অভিশংসনের সময় সিনেটে আনুষ্ঠানিক ভূমিকা পালন করেন।

টেক্সাসের ইলেক্টোরাল ভোটকে অবৈধ করতে কাজ করার জন্য রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যানদের কাছে ব্যক্তিগত ই-মেইল থেকে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। ২০২০ সালের ৭ নভেম্বর জো বাইডেনের জয়ের পর এক্সে (তত্কালীন টুইটার) এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে লিখেছিলেন, ‘শক্তিশালী হয়েই থাকুন এবং লড়াই করুন’। মঙ্গলবারের ভোটে টম এমার নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে তিনি সরে দাঁড়ানোর পর মাইক জনসনই প্রার্থী হন।

এদিকে, ট্রাম্প তার সমর্থকদেরকে বলেন, আমি জনসনকে ছাড়া কাউকে দেখতে চাই না। তাকে নিয়ে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য শুনতে চাই না। সবাই তাকে পছন্দ করেন। তিনি সবার কাছে শ্রদ্ধেয়। স্পিকার নির্বাচিত না হওয়ায় ইউক্রেন এবং ইসরাইলে সহায়তা বিলটি প্রতিনিধি পরিষদে আটকে ছিল। তবে বিলগুলো পাশে জনসন কী ভূমিকা পালন করেন তাই দেখার বিষয়।-সিএনএন ও বিবিসি

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page