May 31, 2026, 12:10 am
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে : তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালে মব বা গণপিটুনির মতো ঘটনাগুলোকে প্রবলভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই দাবি করেন।

ডা. জাহেদ বলেন, অতীতে এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে নজিরবিহীনভাবে ছাড় দেওয়ার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

উপদেষ্টা তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে জানান, কোনো অবস্থাতেই মব জাস্টিস বা আইন বহির্ভূত কর্মকাণ্ড মেনে নেওয়া হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে শাস্তি দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা রাষ্ট্রের হাতে ন্যস্ত; কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আইন হাতে তুলে নিতে পারে না।

ডা. জাহেদ উর রহমানের মতে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সমাজে চরম অরাজকতা সৃষ্টি করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। অতীতে এই অপসংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে তারা চাইলেই কাউকে শাস্তি দিতে পারে, যা থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা জরুরি।

ডা. জাহেদ আরও উল্লেখ করেন, কেউ যদি গুরুতর কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হয়, তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, শারীরিকভাবে আঘাত করাও আইনসম্মত নয়। তিনি স্বীকার করেন যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকতে পারে, তবে সরকার সেই ঘাটতিগুলো কাটিয়ে উঠতে নিরলসভাবে কাজ করছে।

ভবিষ্যতে এ ধরনের নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইতিপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলেও তিনি ব্রিফিংয়ে জানান।

পরিকল্পিত বা সংগঠিত সহিংসতাকে কঠোরভাবে দমন করার অঙ্গীকার করে উপদেষ্টা বলেন, সরকার প্রকৃত অপরাধীকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনবে, তবে তা কোনোভাবেই গণপিটুনির মাধ্যমে নয়।

তিনি দেশের নাগরিকদের আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করার আহ্বান জানান এবং যেকোনো অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা রাখার অনুরোধ করেন। সমাজে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page