March 6, 2026, 8:35 pm
শিরোনামঃ
পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগান : রাষ্ট্রপতি বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার নির্বাচনে সারা দেশে মিলে এক হাজারের কম ভোট পেয়েছে যে ৫ দল সাফল্যে দেখাচ্ছে ডিজিটাল জামিননামা দাখিল পদ্ধতি কক্সবাজারে নিখোঁজ ১২ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার পর লাশে আগুন দেওয়ার অভিযোগ নওগাঁয় স্ত্রী ও সন্তানকে জবাই করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে ভূমিকা রাখতে চান ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

আগামী সোমবার মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষদিন ; প্রার্থীদের যেসব তথ্য জানা জরুরি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন ফরম জমাদানের শেষদিন আগামী সোমবার (২৯ ডিসেম্বর)। প্রার্থীদের হাতে সময় আছে মাত্র দুই দিন। মনোনয়ন ফরম বাছাইয়ের ক্ষমতা রিটার্নিং অফিসারের ওপর ন্যস্ত। তাই সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করা সব মনোনয়ন ফরম ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার পরপরই নিরাপত্তার সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

ওই দিন বা তার আগের যে কোনো দিন প্রার্থী, প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারী মনোনয়ন ফরম দাখিল করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুচ্ছেদ ১২ এর (৩) অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার তা গ্রহণ করবেন।

অফিসাররা মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়ার সময় নির্ধারিত স্থানে ক্রমিক নম্বর দেবেন। রিটার্নিং অফিসার মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়ার সময় ‘রিঅ-’ এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার ‘সরিঅ-’ লিখে নম্বর দেবেন। এক প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিলে প্রথমটিতে পূর্ণ নম্বর এবং অন্যগুলোর ক্ষেত্রে বন্ধনীতে (ক), (খ) বা (১), (২) ব্যবহার করা যাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদান, জামানত জমা, প্রস্তাবকারী-সমর্থনকারীর যোগ্যতা, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়ন, মনোনয়নপত্র বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশসহ বিভিন্ন বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয়ের উপ-সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ পরিপত্র শনিবার জারি করা হয় বলে ইসি সূত্র জানায়।

মনোনয়ন ফরম জমা দিতে যেসব তথ্য লাগবে :  সংসদ নির্বাচনের সময় এলে অনেকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, আইনজীবী থেকে শুরু করে কোনো পেশার মানুষই যেন বাদ যান না মনোনয়ন সংগ্রহ করতে।

নির্বাচন কমিশন থেকে প্রকাশিত নির্দেশিকার তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য যেমন প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মতারিখ, ভোটার নম্বর, ভোটার তালিকায় ক্রমিক নম্বর, ভোটার এলাকার নাম, উপজেলা, জেলার তথ্য দিতে হয়। এর সঙ্গে আরও যেসব তথ্য দিতে হয় তা হলো—
১. প্রার্থীর পক্ষে প্রস্তাবকের নাম ও ভোটার নম্বর, সমর্থকের নাম ও ভোটার নম্বর, প্রস্তাবক ও সমর্থকের সই।

মনোনয়ন ফরমের সঙ্গে হলফনামা দিতে হবে। হলফনামার মধ্যে প্রার্থী নিজের এবং তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও দায়ের বিস্তারিত তথ্য, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণ, দায়ের হিসাব, এর আগে নির্বাচনে জয়লাভ করে থাকলে ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং তার কী পরিমাণ অর্জন করা হয়েছে তার বিস্তারিত বর্ণনা, ঋণের হিসাবের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

এছাড়া হলফনামার মধ্যে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সে সম্পর্কিত নথি, বর্তমানে বা অতীতে কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলে সে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও হলফনামায় তুলে ধরতে হবে।

২. নির্বাচনে ব্যয় নির্বাহ করার জন্য অর্থের উৎসের বিবরণ, নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম, আয়করের তথ্য, সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব, সম্পদের বিবরণী সম্বলিত রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ কপি এবং কর পরিশোধের প্রমাণপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য তফসিলি ব্যাংকে প্রার্থীর নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং সেই অ্যাকাউন্ট নম্বর ফরমে উল্লেখ করতে হবে। এটি মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার আগেই করতে হবে। এই ব্যাংক হিসাব থেকেই সব নির্বাচনি ব্যয় সম্পাদন করতে হবে।

৩. একই সঙ্গে ওই প্রার্থী যে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাবেন সেই দলের মনোনয়নের কপি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে।

৪. আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ১৯৭২ এর ১২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে, তিনি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যাবসায়িক কোনো সম্পর্ক বা সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন কি না সে বিষয়ক তথ্য।

৫. জামানত হিসেবে জমা করা ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালান বা রশিদের কপি জমা দিতে হবে।

৬. এর আগে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন কি না এবং নির্বাচিত হয়ে থাকলে সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। যেমন তিনি কততম সংসদ নির্বাচনে কোন নির্বাচনি এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

৭. আর এর আগে নির্বাচিত হয়ে না থাকলে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তিনি যে নির্বাচনি এলাকা থেকে প্রার্থিতা করবেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করে ওই এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংবলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।

রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়ন : রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলের নিজস্ব প্যাডে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারীর স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।

একটি নির্বাচনি এলাকায় যদি কোনো রাজনৈতিক দল একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়, তবে ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম লিখিতভাবে রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে।

চূড়ান্তভাবে মনোনীত প্রার্থী দলীয় প্রতীক পাবেন, যদি না তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। প্রতীক বরাদ্দ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে আলাদা পরিপত্রে জানানো হবে।

জামানত : মনোনয়ন ফরম দাখিলের সময় প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হবে। এ অর্থ নগদ, ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে জমা দেওয়া যাবে।

একই নির্বাচনি এলাকায় একাধিক মনোনয়নপত্র দিলে একটি জামানতই যথেষ্ট হবে। অন্য মনোনয়নপত্রের সঙ্গে চালানের সত্যায়িত অনুলিপি দিতে হবে। জামানতের বাইরে কোনো অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ বা প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

জামানতের অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংক, যে কোনো ব্যাংক বা সরকারি ট্রেজারি বা সাব ট্রেজারিতে ১০৯০৩০২১০১৪৪৩-৮১১৩৫০১ কোড নম্বরে জমা দিতে হবে। নগদে প্রাপ্ত জামানতের অর্থ রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং অফিসার সরকারি খাতে জমা দেবেন।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page