April 17, 2026, 1:06 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরের পেশাজীবিদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী ২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে পুকুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে ছাগল বাঁচাতে গিয়ে বৃদ্ধ নিহত ৩৪ বছর পর ইসরায়েল ও লেবানন নেতাদের মধ্যে আলোচনা আমরা বাংলায় কাউকে বাবরি মসজিদ বানাতে দেব না : অমিত শাহ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই প্রকৃত সন্ত্রাসী : ইরানের প্রেসিডেন্ট
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইরানকে ড্রোন-খাদ্য-ওষুধ সরবরাহ করছে রাশিয়া

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : চলমান ইরান যুদ্ধে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাশিয়া ড্রোন, খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ শুরু করেছে।

পশ্চিমা গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাত দিয়ে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি মাস থেকেই মস্কো ইরানকে ড্রোনের চালান পাঠানো শুরু করেছে এবং এই মাসের শেষ নাগাদ সরঞ্জামগুলোর পর্যায়ক্রমিক সরবরাহ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই তেহরানের কাছে রাশিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো প্রথম মারণাস্ত্রের চালান। এর আগে ক্রেমলিন তাদের এই মিত্রদেশটিকে গোয়েন্দা তথ্য এবং স্যাটেলাইট ইমেজারি বা উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে আসছিল।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়া ইরানি নকশার ড্রোন তৈরি করে আসলেও এখন বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তারা পাল্টা ড্রোন সরবরাহ করে ইরানকে সহায়তা করছে।

এই সামরিক সরঞ্জামগুলো মূলত ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এবং যুদ্ধের ময়দানে তেহরানের অবস্থান সুসংহত করতে ব্যবহৃত হবে। তবে এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ক্রেমলিনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বর্তমানে অনেক ধরনের ‘ভুয়া খবর’ ছড়িয়ে পড়ছে, তবে এটি সত্য যে ইরানি নেতৃত্বের সঙ্গে রাশিয়ার সংলাপ অব্যাহত রয়েছে। ড্রোন সরবরাহের বিষয়টি সরাসরি স্বীকার না করলেও মস্কো ও তেহরানের মধ্যকার কৌশলগত সম্পর্কের গভীরতা এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কাস্পিয়ান সাগরে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েল যে হামলা চালিয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে এই ধরনের সামরিক ও লজিস্টিক সরঞ্জাম আদান-প্রদান ব্যাহত করা। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, কাস্পিয়ান সাগরের রুটটি এই দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও অস্ত্র স্থানান্তরের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ইসরায়েলি বাহিনী মনে করছে যে, রাশিয়ার এই ড্রোন ও অন্যান্য কারিগরি সহায়তা ইরানকে দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে টিকে থাকতে সাহায্য করবে, যা পুরো অঞ্চলের যুদ্ধের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। মস্কো ইরানকে কেবল অস্ত্রই নয়, বরং দেশটির ক্রমবর্ধমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় খাদ্য ও জরুরি ওষুধও পাঠাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

ইরান ও রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের ড্রোন ব্যবহারের অভিযোগের পর এখন রাশিয়ার ড্রোন ইরানে পৌঁছানোকে একটি ‘পাল্টা বিনিময়’ হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

রাশিয়ার এই সমর্থন এমন এক সময়ে আসছে যখন ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে এবং হরমুজ প্রণালীসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক পথে অস্থিরতা বিরাজ করছে। মস্কোর এই পদক্ষেপ তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে টিকে থাকার রসদ জোগানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করার একটি বড় প্রয়াস হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page