September 16, 2026, 8:12 pm
শিরোনামঃ
যশোরে এজলাস কক্ষ থেকে মামলার নথি চুরির দায়ে আইনজীবী আটক ভারতের সেফ হোমে থাকা ১৮ নারী ও শিশু বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন যশোরের হাটে বাজারে ভারতীয় ইলিশের সয়লাব ; ভোক্তা অধিকারের অভিযানে জরিমানা জাল দলিলের মাধ্যমে শার্শার বাগআঁচড়ার ফিলিং স্টেশন দখল চেষ্টার অভিযোগে আনোয়ার কারাগারে যশোর আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের ৩ সদস্য চোরাই ইজিবাইকসহ আটক প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা পাবনায় নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ  নাটোরে মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে কৃষকদল নেতার মৃত্যু

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এসময় আবুল কাশেম নামে এক কৃষকদল নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কাশেম উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, ঈদুল ফেতরের কয়েকদিন আগে স্থানীয় জামায়াত নেতা মুতালেবের ভায়ের মেয়ে হওয়ায় ফেসবুক আলহামদুলিল্লাহ বলে পোষ্ট দেয়। সেই পোস্টে কমেন্ট করে একজন বিএনপি নেতা। তার এই কমেন্ট করা নিয়ে ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ ও কৃষকদল নেতা আবুল কাশেমের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। তারা একে অপরের চাচাতো ভাই। বাকবিতন্ডার জেরে বুধবার রাতে আবুল কাশেম ও আব্দুল আজিজ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে উভয়ের পরিবারের লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হয়। হাতাহাতির এক পর্যায়ে আবুল কাশেম অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের বলেন, আবুল কাসেম হাসপাতালে পৌছানোর মৃত্যু বরণ করেছেন। বাইরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই। ইন্টারনাল
হেমারেজ হতে পারে পরে তবে সেটা পোস্টমর্টেম ছাড়া জানা যাবেনা।

এ বিষয়ে কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফুদ্দৌলা ঝন্টু জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি হয়েছে। কয়েকদিন ধরেই তাদের মাঝে বিরোধ চলে আসছিলো।

এদিকে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দাবি করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু। অভিযোগ করে তিনি বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজনের যৌথ হামলায় কৃষকদল নেতা নিহত হয়েছেন। জামায়াতের লোকজন ঝিনাইদহে গুপ্ত হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে। এর আগে তারা ঝিনাইদহ সদরের কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর হত্যা করেছে। এটা তাদেও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।

অপরদিকে হরিণাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির বাবুল হোসেন এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে একই পরিবারের সদ্যদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এক পর্যায়ে নিহত আবুল কাশেম তারই চাচা নাজের মন্ডলের ছোঁড়া ইটের আঘাতে মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্ত এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে কোন ভাবেই জামায়াত জড়িত নয়।

এ ব্যাপারে হরিণাকুন্ডু থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে মারামারি হয়েছে বলে শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করেছি। চাচাতো ভাইদের মাঝে মারামারি হয়েছে, এমনটা জানতে পেরেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page