November 5, 2026, 5:27 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় কাভার্ড ভ্যান চুর্নবিচুর্ন ; চালক নিহত যশোরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালকসহ দুই জন নিহত মাগুরায় সাকের হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ; মূল পরিকল্পনাকারীসহ প্রধান আসামি আটক বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়াতে চীনের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ; ব্যয় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয় ; পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে : রাষ্ট্রদূত কক্সবাজারের ইনানীতে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত
এইমাত্রপাওয়াঃ

আজ বেদনাবিধুর ও কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :   আজ ৩ নভেম্বর বেদনাবিধুর ও কলঙ্কিত জেলহত্যা দিবস। রাতের আঁধারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

তাই দিনটিকে জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

এই নির্মম ঘটনার ঠিক আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ষড়যন্ত্র, ক্ষমতার পাল্টাপাল্টি দখলের ধারাবাহিকতায় রাতের আঁধারে কারাগারে বন্দী অবস্থায় ৪৯ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে।

টালমাটাল এবং উত্তেজনাকর এক পরিস্থিতিতে ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে কারাগারের সামনে একটি পিকআপে করে আসে কয়েকজন। সেসময়ের রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমেদ ফোন করে নির্দেশ দেন সেনা সদস্যরা যা করতে চায় তাদের যেন তা করতে দেওয়া হয়। রাত ৩টার পর তখনকার জেলার আমিনুর রহমানের কাছে জাতীয় চারনেতাকে একত্রিত করার নির্দেশ আসে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দিন আহমদ যে সেলে ছিলেন সে কক্ষে মনসুর আলী এবং কামরুজ্জামানকে নিয়ে আসা হয়। এরপর সেখানেই গুলি করে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৮। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন। সাজাপ্রাপ্ত এই ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই ধরাছোঁয়ার বাইরে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ৫ই নভেম্বর, ২০২৬
  • ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩
  • ২৪শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  


Our Like Page