April 8, 2026, 2:59 am
শিরোনামঃ
খাল খননে যশোরে সফরে প্রধানমন্ত্রী আল্টিমেটাম রাজপথে দেওয়া যায় সংসদে নয় : স্পিকার ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে : জ্বালানি মন্ত্রী ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানির চাপ সামাল দিতে কাজ করছে সরকার : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ রাজশাহীতে নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার ফেনীতে সরকারি প্রাথমিকে মিডডে মিলে শিক্ষার্থীরা পেল পঁচা বনরুটি চীনে নতুন জ্বালানি ব্যবস্থার কথা ভাবছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুদ্ধ ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

আপাতত হাজার খানেক রেহিঙ্গা নেবে মিয়ানমার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বোঝা চেপে আছে মানবিক বাংলাদেশের ওপর। নিজের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দেয়া বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিক চাপের মুখে নিজ দেশের মানুষকে নিয়ে চিন্তিত। দুর্দশার জঞ্জাল এড়িয়ে নির্বিঘ্ন সাম্যতায় বিশ্বাসী বাংলাদেশের মানুষ পরিস্থিতির শিকার মানুষগুলো আশ্রয় দিয়ে এখনো তাদের প্রত্যাবাসনের কোন সুরাহা করাতে পারেনি বিশ্ব মোড়লদের হাত ধরে।

জাতিসংঘের বিভিন্ন সভায় কাগুজে আলোচনা আর বিবৃতিতে সময় কাটলেও বন্ধু রাষ্ট্র চীন একমাত্র দেশ যে, বাংলাদেশে রোহিঙ্গার বোঝার ভার টি বুঝতে পারছে। তাই রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা বিতাড়নের তিন মাসের মাথায় ২০১৭ সালের নভেম্বরে প্রত্যাবাসন বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ চুক্তি সই করেছিল। এ চুক্তির নেপথ্যে ছিল চীন। কিন্তু গত প্রায় ছয় বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের বেঁধে দেওয়া সময়ে এক দফা প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে চীনের মধ্যস্থতায় ২০১৯ সালে আবার প্রত্যাবাসন শুরুর চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুই হয়নি। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এ ঘটনার পর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত আলোচনা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে। এর পরে দীর্ঘ সময় পাড় হলেও কোন উদ্যোগের দেখা মেলেনি। তবে সম্প্রতি  রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে হঠাৎ উদ্যোগী হয়েছে মিয়ানমার। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইয়াঙ্গুনে নিযুক্ত আট দেশের কূটনীতিককে রাখাইনে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের কূটনীতিকেরা ছিলেন।

মিয়ানমার এখন পাইলট প্রকল্পের আওতায় এক হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছে। ঢাকা ও ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, মূলত চীনের চাপে মিয়ানমার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, মিয়ানমারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও করছে বাংলাদেশ।

তবে চীন হঠাৎ কেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টিতে এত জোর দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও উঠছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রত্যাবাসন শুরু হলে মিয়ানমারের সামরিক সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ কমবে বলে মনে করছে চীন। পাশাপাশি জান্তা সরকারের কিছুটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতে পারে বলেও মনে করছে বেইজিং।

তবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে  উদ্যোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের  বন্ধু ও প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের তেমন ভূমিকা না দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর আমেনা মহসীন। আর যুক্তরাষ্ট্রের নিউঅরলিয়েন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরেটাস অধ্যাপক ড. মোস্তফা সারওয়ার মনে করেন, বিশ্বসম্প্রদায়ের উদাসীনতায় রোহিঙ্গা সমস্যা আজ বড় সংকটে পতিত হয়েছে। এদিকে, কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রত্যাবাসনসংক্রান্ত আলোচনায় চীন যুক্ত হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে ছোট পরিসরে রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে এ বিষয়ে মিয়ানমারকে চাপ দিয়ে যাচ্ছে চীন। রোহিঙ্গা সমস্যার গভীরে না গেলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানও চাইছে, ছোট পরিসরে হলেও প্রত্যাবাসন শুরু হোক।

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page