September 28, 2026, 8:35 am
শিরোনামঃ
কৃষকরা দেশের শ্রেষ্ঠ মানুষ : রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের অংশগ্রহণ চায় সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরের নিচে বিপুল গ্যাসের ভাণ্ডার রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুব শিগগিরই সুপেয় পানির জন্যও যুদ্ধে নামতে হতে পারে : পানিসম্পদমন্ত্রী ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশ-ইন চেষ্টা ; বিজিবির বাধায় ব্যর্থ রাজশাহীতে টাকা ভাংতি না দেওয়ায় মুদি দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ড্রোন আটকের দাবি করলো ইরান সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য আমরা প্রস্তুত : ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিবেকের পরীক্ষা হলো ফিলিস্তিন : ইন্দোনেশিয়া ঝিনাইদহের মহেশপুরে নিঝুম হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউক্রেন ইস্যুতে শান্তি আলোচনার সময় শেষ হয়ে যায়নি : পুতিন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইউক্রেন ইস্যুতে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে না রাশিয়া। আফ্রিকার শান্তি উদ্যোগের পাশাপাশি চীনের প্রস্তাবও ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। সেন্ট পিটার্সবার্গে আফ্রিকার নেতাদের সঙ্গে আলাপের পর সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

শনিবার পুতিন বলেন, তবে শান্তি আলোচনা বা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করাটা কঠিন। কারণ ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী হামলা অব্যাহত রেখেছে।

যুদ্ধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রথমদিকে কয়েকবার দুই দেশের শীর্ষপর্যায়ের প্রতিনিধিরা আলোচনায় বসলেও সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি। এ অবস্থায় মস্কো ও কিয়েভ বলছে, নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসতে হলে কিছু শর্ত মানতেই হবে।

যুদ্ধ থামাতে করণীয় নিয়ে এর আগে চীনও ১২ দফা শান্তি প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল। কিন্তু ওই প্রস্তাবকে একতরফা উল্লেখ করে তা প্রত্যাখ্যান করে ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্র।

ইউক্রেনের দাবি, ১৯৯১ সালে তার সীমানা যেমন ছিল সেটাই পুনঃস্থাপিত হোক। কিন্তু এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে ক্রেমলিন বলছে, শান্তি আলোচনার জন্য নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা মানতে হবে কিয়েভকে।

এই বাস্তবতায় শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের ফ্রন্টে আপাতত কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই তার। কিন্তু চলতি মাসের শুরুর দিকে ক্রিমিয়া সেতুতে হামলা হয়েছে। জবাবে প্রতিরোধমূলক আক্রমণ চালানো হয়েছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর কার্চ প্রণালীর ওপর নির্মিত ক্রিমিয়া সেতুতে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এসব ঘটনায় পুতিন সরাসরি কিয়েভকে দায়ী করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি জেলেনস্কির প্রশাসন।

তবে দেশটির সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ক্রিমিয়া সেতুতে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। কারণ এই পথ ব্যবহার করে ইউক্রেনে থাকা রুশ বাহিনীর কাছে সামরিক রসদ পৌঁছে দিচ্ছে মস্কো। ফল যেকোনও মূল্যে এটিকে ধ্বংস করা অনিবার্য সূত্র: বিবিসি

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page