June 28, 2026, 11:58 am
শিরোনামঃ
মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী   এ বছরই আমি দেশে ফিরব : শেখ হাসিনা সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সাময়িকভাবে বাতিলের প্রস্তাব আগস্টের শেষেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ কক্সবাজারে নিখোঁজের একদিন পর ৭ কিলোমিটার দূরে পর্যটকের লাশ উদ্ধার রাজশাহীতে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ব্যবসায়ী নিহত পৃথিবীতে ইরানের অস্তিত্ব থাকবে না : ট্রাম্প স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ নেই : নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে : ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত কমেছে ; ঘাটতি পূরণ‌ করতে লাগতে পারে কয়েক বছর

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের বড় অংশ ব্যবহার করে ফেলেছে, ফলে ভবিষ্যৎ সংঘাতে গোলাবারুদের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। সিএনএন–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের সঙ্গে প্রায় সাত সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তাদের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৪৫ শতাংশ ব্যবহার করেছে। ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত থাড সিস্টেমের অন্তত অর্ধেক এবং প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের প্রায় ৫০ শতাংশ খরচ হয়েছে।

এছাড়া, পেন্টাগন–এর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের সঙ্গেও এসব তথ্যের মিল পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। যুদ্ধের আগে এবং পরে তুলনা করলে দেখা যায়, টমাহক মিসাইলের প্রায় ৩০ শতাংশ, জয়েন্ট এয়ার-টু-সারফেস স্ট্যান্ডঅফ মিসাইলের ২০ শতাংশের বেশি এবং এসএম-৩ ও এসএম-৬ মিসাইলের প্রায় ২০ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন চুক্তি করলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে এসব অস্ত্র পুনরায় মজুত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। মার্ক ক্যানসিয়ান বলেন, অতিরিক্ত গোলাবারুদ ব্যবহারের ফলে বিশেষ করে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক দুর্বলতা তৈরি হয়েছে।

স্বল্পমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র থাকলেও, সমমানের প্রতিদ্বন্দ্বী—যেমন চীন—এর মোকাবিলায় বর্তমান মজুত যথেষ্ট নয় বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, শন পার্নেল দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর নির্দেশ বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কাছে প্রয়োজনীয় সব সক্ষমতা রয়েছে। তবে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য—যুক্তরাষ্ট্র কোনো অস্ত্র সংকটে নেই—এর সঙ্গে বিশ্লেষকদের এই সতর্কবার্তার কিছুটা অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে, ক্যাপিটল হিলে ডেমোক্র্যাট নেতারা এই গোলাবারুদ ব্যবহারের মাত্রা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মার্ক কেলি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের কাছে বিপুলসংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে, যা ভবিষ্যতে সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার পুনর্গঠনে কয়েক বছর সময় লাগবে এবং এর প্রভাব বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যেও পড়তে পারে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page