June 5, 2026, 6:01 pm
শিরোনামঃ
জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কার করে দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী প্রতিরক্ষা ও এভিয়েশনে একসঙ্গে কাজ করবে ঢাকা-আঙ্কারা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী জীবনযাত্রা আরো কঠিন হবে : সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মা‌র্কিন ভিসা প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিলো দূতাবাস  কুষ্টিয়া সীমান্তে তিনটি ককটেলসহ ১ জন আটক ফরিদপুরে পদ্মা নদী থেকে ট্রাক্টরসহ চালকের মরদেহ উদ্ধার কিউবার প্রেসিডেন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পেতে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতি দুই দিনে একবার কথা হয় : নেতানিয়াহু বন্ধ ও অলাভজনক কারখানায় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে রোড শো করবে সরকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

এআই ব্যবস্থাপনায় কীভাবে এগোনো হবে তা নিয়ে যৌথ অবস্থান ঘোষণা করবেন বিশ্বনেতারা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবস্থাপনায় কীভাবে এগোনো হবে, সে বিষয়ে শুক্রবার যৌথ অবস্থান ঘোষণা করতে যাচ্ছেন বিশ্বের ডজনখানেক রাষ্ট্রপ্রধান ও মন্ত্রী। পাঁচ দিনব্যাপী প্রযুক্তি সম্মেলনের সমাপনী দিনে এ ঘোষণা আসবে।

এর একদিন আগে নয়াদিল্লির বৈঠকে ওপেন এআই চিফ স্যাম অল্টম্যান বলেন, দ্রুত বিকাশমান এ খাতে ‘জরুরি ভিত্তিতে’ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রয়োজন।

বর্তমানে জেনারেটিভ এআই-এর ব্যাপক চাহিদা বিভিন্ন কোম্পানির মুনাফা বাড়িয়ে দিলেও সমাজ ও পরিবেশের ওপর এর প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

চ্যাটজিপিটি’র নির্মাতা স্যাম অল্টম্যান এর আগেও নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছিলেন। তবে গত বছর তিনি এক মন্তব্যে জানিয়েছিলেন, অতিরিক্ত কড়াকড়ি করলে এআই প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, ‘এই প্রযুক্তি যদি কোনো একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি বা দেশের হাতে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তবে তা ধ্বংসের কারণ হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর মানে এই নয় যে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ বা সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই। অন্যান্য শক্তিশালী প্রযুক্তির মতো এআই-এর ক্ষেত্রেও আমাদের জরুরি ভিত্তিতে নীতিমালা দরকার।’

দ্রুত অগ্রসরমান এই কম্পিউটিং প্রযুক্তির ঝুঁকি ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার এটি চতুর্থ বার্ষিক সম্মেলন। ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ নামের এই আয়োজনটি এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ সম্মেলন। এছাড়া কোনো উন্নয়নশীল দেশে এ ধরনের আয়োজন এটিই প্রথম। এর মাধ্যমে ভারত মূলত এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা তুলে ধরছে।

আগামী দুই বছরে ভারত এই খাতে ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ আশা করছে। এরই মধ্যে চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্টরা বেশ কিছু নতুন চুক্তি ও অবকাঠামো প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে।

চাকরি হারানো, ইন্টারনেটে হয়রানি এবং ডেটা সেন্টারের জন্য বিশাল বিদ্যুৎ চাহিদার মতো সমস্যাগুলো মোকাবিলায় অনেকে কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন। তবে দিল্লি সম্মেলনের আলোচনার ব্যাপকতা এবং এর আগে ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া ও ব্রিটেনের সম্মেলনে দেওয়া অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতিগুলো থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এখনই কোনো সুনির্দিষ্ট বা কঠোর প্রতিশ্রুতি আসার সম্ভাবনা কম।

থিংক ট্যাংক ‘দ্য ফিউচার সোসাইটি’র পরিচালক নিকি ইলিয়াদিস বলেন, ‘শক্তিশালী প্রযুক্তির শাসন সাধারণত কিছু অভিন্ন ভাষা বা সংজ্ঞার মাধ্যমে শুরু হয়- যেমন কোন ঝুঁকিগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন সীমাগুলো অগ্রহণযোগ্য। এটা ঠিক যে এআই কোম্পানিগুলো প্রভাবশালী, কিন্তু তারা সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়।’
এআই খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের পাশাপাশি কয়েক হাজার মানুষ এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। আলোচনায় শিশু সুরক্ষা, কর্মসংস্থান হারানোর আশঙ্কা এবং বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মতো বড় বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার বলেন, ‘আমরা এমন এক যুগে প্রবেশ করছি যেখানে মানুষ এবং বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রযুক্তি ব্যবস্থা একসঙ্গে কাজ করবে ও বিকশিত হবে। আমাদের সংকল্প হতে হবে যাতে এআই পুরো বিশ্বের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।’

এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এআই দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কম্পিউটিং পাওয়ারকে আরও সাশ্রয়ী করতে ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বৈশ্বিক তহবিল গঠনে সহায়তা করার জন্য প্রযুক্তি ধনকুবেরদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এআই-এর ভবিষ্যৎ গুটিকয়েক দেশ কিংবা কতিপয় বিলিয়নিয়ারের খেয়ালখুশির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’

আজকের বাংলা তারিখ

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  


Our Like Page