August 12, 2026, 5:01 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় আমুড়িয়া-পূর্বপাড়া মাঠ সড়কে সাবগ্রেডের কাজ চলমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক সভা শুরু ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ : তথ্য উপদেষ্টা কক্সবাজারের টেকনাফে ৪ অস্ত্র ও ৭৯ রাউন্ড গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী নাহিদ আটক শরীয়তপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণে ১ জন নিহত খাবারের ট্রাকে লুকিয়ে সামরিক বিমানে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প ভবিষ্যৎ চুক্তির উদ্দেশ্যে ১৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ আটকে রেখেছে ইসরায়েল নতুন মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় ইরান মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল ৭১ ও ২৪-এর শহীদদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৩১ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ৩১ জনেরং প্রাণহানি হয়েছে। বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও দুর্গত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট।

রোববার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া এলাকায় বন্যার স্রোতে ভেসে নিরঞ্জন চন্দ্র দাশ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক পার হয়ে বাড়ি ফেরার সময় তিনি স্রোতে ভেসে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রামু থানার গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোহাম্মদ আনিছুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

একই দিন সন্ধ্যায় চকরিয়ার কৈয়ারবিল এলাকায় বন্যার পানিতে নিখোঁজ সজিব দাস (১৩)-এর মরদেহ প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সজিব কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং কৈয়ারবিলে তাঁর নানির বাড়িতে থাকতেন।

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার কক্সবাজার পৌর এলাকায় পাহাড়ধসে এক গৃহবধূ এবং পেকুয়া ও চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ভেসে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে গত আট দিনে জেলার একটি পৌরসভা ও ছয় উপজেলায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৫ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন।

এদিকে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘরবাড়ি, ফসলের মাঠ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি সরে গেলেও কাদামাটি পরিষ্কার করতে হিমশিম খাচ্ছেন বাসিন্দারা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী এলাকায় সুপেয় পানি ও খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ চললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের স্কুলশিক্ষক নুরুল আমিন বলেন, তিন দিন পানিবন্দি থাকার পর পানি কমলেও এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট রয়ে গেছে। দরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ত্রাণ বিতরণকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, বন্যাদুর্গত কোনো মানুষ সরকারি সহায়তা থেকে বাদ পড়বে না। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, জেলার ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৯টি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। জেলা প্রশাসনের ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page