October 17, 2026, 12:19 am
শিরোনামঃ
যশোরে ৮ টি ককটেলসদৃশ বোমা উদ্ধার যশোরে পিকআপ ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত ফ্যাসিবাদের আমলে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতিতে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে : রাষ্ট্রপতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা কক্সবাজারের নাফ নদী থেকে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে শ্রমিকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার জাপানকে টপকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ অর্থনীতি হতে যাচ্ছে ভারত : আইএমএফ বাংলাদেশের আদলে সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র চলছে : ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনীতিতে কাউকেই বিশ্বাস করি না : ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসে ৩১ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ৩১ জনেরং প্রাণহানি হয়েছে। বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও দুর্গত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট।

রোববার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া এলাকায় বন্যার স্রোতে ভেসে নিরঞ্জন চন্দ্র দাশ (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক পার হয়ে বাড়ি ফেরার সময় তিনি স্রোতে ভেসে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রামু থানার গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোহাম্মদ আনিছুর রহমান জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

একই দিন সন্ধ্যায় চকরিয়ার কৈয়ারবিল এলাকায় বন্যার পানিতে নিখোঁজ সজিব দাস (১৩)-এর মরদেহ প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। সজিব কুতুবদিয়া উপজেলার আলী আকবর ডেইল এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এবং কৈয়ারবিলে তাঁর নানির বাড়িতে থাকতেন।

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার কক্সবাজার পৌর এলাকায় পাহাড়ধসে এক গৃহবধূ এবং পেকুয়া ও চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ভেসে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে গত আট দিনে জেলার একটি পৌরসভা ও ছয় উপজেলায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১৫ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন।

এদিকে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ঘরবাড়ি, ফসলের মাঠ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি সরে গেলেও কাদামাটি পরিষ্কার করতে হিমশিম খাচ্ছেন বাসিন্দারা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী এলাকায় সুপেয় পানি ও খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ চললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের স্কুলশিক্ষক নুরুল আমিন বলেন, তিন দিন পানিবন্দি থাকার পর পানি কমলেও এলাকায় সুপেয় পানি ও খাবারের সংকট রয়ে গেছে। দরিদ্র মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ত্রাণ বিতরণকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইন বলেন, বন্যাদুর্গত কোনো মানুষ সরকারি সহায়তা থেকে বাদ পড়বে না। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নেবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, জেলার ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৯টি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। জেলা প্রশাসনের ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬
  • ২রা কার্তিক, ১৪৩৩
  • ৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page