September 11, 2026, 6:52 am
শিরোনামঃ
ভারতে আটক ও সাজাভোগ শেষে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরেছেন ৪৭ বাংলাদেশি নাগরিক যশোরের আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফা ফরিদের উচ্চ আদালতে জামিন ; শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন ‘মাননীয়’ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিজ দপ্তর থেকেই কার্যকর করছেন প্রধানমন্ত্রী সরকার সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে চায় : তথ্যমন্ত্রী ন্যায়বিচার ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিপুল অস্ত্রশস্ত্রসহ সুন্দরবনের ‘নানা ভাই বাহিনীর’ আত্মসমর্পণ ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ আটক মার্কিন ড্রোন ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ করতে পারে ইরান মক্কা জোট সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা নেই : পাকিস্তান
এইমাত্রপাওয়াঃ

কুষ্টিয়ার পদ্মা নদীর ৪ কি.মি. এলাকাজুড়ে ভাঙন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মরিচা ইউনিয়নের ভূরকা, হাটখোলা ও কোলদিয়া এলাকায় চার কিলোমিটার জুড়ে এই ভাঙন চলছে।

ভাঙন রোধে হাটখোলা থেকে ভূরকা পর্যন্ত এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। দুটি প্রকল্পের আওতায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ লাখ ৩৫ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান।

এদিকে এলাকাবাসী বলছে, পদ্মায় কিছুদিনের মধ্যে নতুন পানি এলে আগ্রাসী রূপ আরও বেড়ে যাবে। এক কিলোমিটার অংশের ভাঙন রোধের উদ্যোগে তাঁরা খুশি হলেও উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন বাকি তিন কিলোমিটারের ভাঙন নিয়ে। তাদের দাবি, পুরো এলাকাতে সাময়িকভাবে ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ব্যবহারের পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হোক।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে চলা ভাঙনে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে কয়েক হাজার বিঘা আবাদি জমি, বসতবাড়ি, কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঝুঁকিতে রয়েছে নদীর পাড় থেকে মাত্র ৩০ ফুট দূরে থাকা বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ, ভারত থেকে আসা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা।

পদ্মা পাড়ের বাসিন্দা সিদ্দিকুর রহমান বাসসকে জানান, একসময় তাঁদের বাড়ি থেকে আবাদি জমিতে যেতে হাঁটতে হতো পাঁচ কিলোমিটার। এখন নদীর পাড়ে আসতে সময় লাগে মাত্র দুই মিনিট। চোখের সামনে পদ্মার আগ্রাসী ভাঙনে হারিয়েছেন চাষের জমি। দ্রুত ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা না নিলে বসতভিটাও হারাতে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

সিরাজ মণ্ডল নামের একজন বাসসকে বলেন, আমাদের এলাকার চার কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে এক কিলোমিটারে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বাকি তিন কিলোমিটারে এখনই ব্যবস্থা না নিলে এবারের বর্ষায় বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নদী পাড়ের আরেক বাসিন্দা সুইট আহমেদ বলেন, ভাঙন সাময়িকভাবে রোধে সরকারের উদ্যোগে আমরা খুশি। তবে যত দিন পর্যন্ত স্থায়ী ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না হচ্ছে, তত দিন আমরা উদ্বেগের মধ্যেই থাকব।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পাউবোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বাসসকে বলেন, আমরা এক কিলোমিটার এলাকার ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছি। বাকি তিন কিলোমিটারের জন্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছি। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়েও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page