June 29, 2026, 7:51 pm
শিরোনামঃ
চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের এমপিদের আসনে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভিশন পূরণে কৃষিতে পর্যাপ্ত বাজেট নেই : রিজভী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ১ জন নিহত কুমিল্লায় প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত ট্রাম্পকে লুজার বললেন বাইডেন ইরানের সাইবার হামলায় বিধ্বস্ত ইসরায়েল কাতারে আটকে থাকা ১২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬ বিলিয়ন মুক্ত হচ্ছে : ইরানের প্রেসিডেন্ট মাগুরায় স্কুল কক্ষে আপত্তিকর অবস্থায় নারীসহ সহকারী শিক্ষক আটক
এইমাত্রপাওয়াঃ

খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে আর ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে : ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র ‘খারাগ দ্বীপ’ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।’

উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদ ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ‘ভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরে’ তখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page