অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : অধিকৃত জর্দান নদীর পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনাদের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। সোমবার ভোররাত থেকে শুরু হওয়া ওই পাশবিক হামলা এখনও চলছে এবং এতে এ পর্যন্ত অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত ও ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলাকে ‘সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ উলেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইল যে সংঘবদ্ধ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালায় জেনিনের চলমান আগ্রাসন তারই অব্যাহত অংশ মাত্র।
জেদ্দা-ভিত্তিক মুসলিম দেশগুলোর সংস্থা ওআইসি জর্দান নদীর পশ্চিম তীরে ইসরাইলের চলমান আগ্রাসনের সুষ্ঠু তদন্ত করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহŸান জানিয়েছে।
ইরান জেনিন শহরে চলমান ইসরাইলি হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের’ সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ আখ্যায়িত করে বলেছে, এই আগ্রাসন প্রমাণ করে ইসরাইলের সঙ্গে কথিত শান্তি প্রতিষ্ঠা করে এই দখলদার সরকারের ‘যুদ্ধ-যন্ত্র’ বন্ধ করা যাবে না।
আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি ‘বর্বর সামরিক অভিযানের’ নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জেনিন শহর ও শরণার্থী শিবিরে বিমান থেকে বোমা হামলা এবং স্থলপথে বুলডোজার দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করা হচ্ছে গোটা ফিলিস্তিনি জাতিকে সম্মিলিত শাস্তি দেয়ার নামান্তর যা পরিস্থিতিকে আগের চেয়ে জটিল করে তুলবে। তিনি ইসরাইলের এই ‘অপরাধমূলক অভিযান’ বন্ধ করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিশ্বে ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিদারদের’ প্রতি আহŸান জানান।
এছাড়াও জেনিন শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি অপরাধযজ্ঞের নিন্দা জানিয়েছে মিশর, জর্দান, ইয়েমেনের আনসারুলাহ আন্দোলন, লেবাননের হিজবুলাহ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।