September 17, 2026, 8:38 am
শিরোনামঃ
যশোরে এজলাস কক্ষ থেকে মামলার নথি চুরির দায়ে আইনজীবী আটক ভারতের সেফ হোমে থাকা ১৮ নারী ও শিশু বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন যশোরের হাটে বাজারে ভারতীয় ইলিশের সয়লাব ; ভোক্তা অধিকারের অভিযানে জরিমানা জাল দলিলের মাধ্যমে শার্শার বাগআঁচড়ার ফিলিং স্টেশন দখল চেষ্টার অভিযোগে আনোয়ার কারাগারে যশোর আন্তঃজেলা ইজিবাইক চোর চক্রের ৩ সদস্য চোরাই ইজিবাইকসহ আটক প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা পাবনায় নিখোঁজের সাতদিন পর ডোবায় মিলল শিশুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ  নাটোরে মাদ্রাসায় আবাসিক ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কাঁচা মরিচের সিন্ডিকেট ; কেজি ৮০০ টাকা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শনিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে শৈলকুপার পৌর বাজারে এ অবস্থা দেখা গেছে।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, চাহিদার তুলনায় মরিচের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এবারই প্রথম কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার করতে আসা চঞ্চল মাহমুদ জানান, বাজারে কয়েক দিন ধরেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তি। আজ হঠাৎ করে জানতে পারি এক হাজার টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এখন বাজারে এসে দেখি ৭৫০-৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন দোকানিরা।

আরেক ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কাঁচা মরিচের এত দাম জীবনে দেখিনি। ৮০০ টাকার এক পয়সা কমেও কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। এক কেজি কাঁচা মরিচে এখন এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে।

মরিচের ক্রেতা আজিজুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে কাঁচা মরিচ কিনতে এসে তো আকাশ থেকে পড়ার মতো অবস্থা। এক কেজি কাঁচা মরিচের দাম চাইছে এক হাজার টাকা। বাধ্য হয়ে শুকনো মরিচ কিনে বাড়ি যাচ্ছি।

মরিচ চাষি জিয়া জানান, ঈদের আগে ৩০০-৩৫০ টাকা করে পাইকারি বিক্রি করেছেন। আজ শনিবার দুপুরে ৫৫০ টাকা করে কাঁচামরিচ বিক্রি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর প্রচণ্ড তাপদাহে মরিচের গাছ বাড়েনি। গাছের মাথা মুচড়ে গেছে। আবার এর মধ্যে বৃষ্টিতে কিছু গাছ মারাও যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ ধরছে কম‌। যার কারণে বাজারে চাহিদা বেশি। তাই দামও বেশি।

মরিচ ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন জানান, তিনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ মণ কাঁচা মরিচ বিক্রি করেন। শনিবার ১০ কেজিও মরিচ কিনতে পারেননি। অল্প কিছু ৫৫০ ও ৬০০ টাকা করে কিনেছেন। সেগুলো দাম হাঁকিয়ে বেশি দামে (এক হাজার) টাকা বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন। পরে  ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, যাদের কাছে বেশি মরিচ আছে তারা সবাই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেশি দামে বিক্রি করছে। প্রশাসন একটু তৎপর হলে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কোনো কিছুই বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে না।

শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান খাঁন বলেন, বাজারে হঠাৎ করে কাঁচা মরিচ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যার প্রধান কারণ, বৃষ্টিতে কৃষকরা মরিচ উঠাতে পারেননি। আবার ঈদে মরিচের চাহিদা বেড়েছে। যার কারণে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দুই-তিন দিনের মধ্যে মরিচের দাম কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, শৈলকুপা উপজেলায় এ বছর ১০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। উপজেলার চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম। আবার কৃষকের ক্ষেতে পুরোপুরিভাবে মরিচ আসেনি।

 

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page