August 27, 2026, 8:17 pm
শিরোনামঃ
মাগুরায় বিনামূল্যে ছানি অপারেশনে দৃষ্টিশক্তি ফেরানোর উদ্যোগ যশোরে মাকে হত্যার অভিযোগে যশোরে শিক্ষক ছেলে আটক যশোরে আল আমিন হত্যা মামলায় এবার রসুল আটক রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ফখরুল ইসলাম সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস ও আমির খসরু নেপালের বন্যায় হতাহতদের স্মরণে সংসদে শোক প্রস্তাব ; সহায়তার বার্তা জানাল বাংলাদেশ জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর আখখেতে মিলল ইজিবাইক চালকের কঙ্কাল দিনাজপুরে সাবেক শ্রমিক লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও-সংঘর্ষ ভয়াবহ বন্যায় নেপাল ও চীনের ১৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কাঁচা মরিচের সিন্ডিকেট ; কেজি ৮০০ টাকা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ঝিনাইদহের শৈলকুপায় প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শনিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে শৈলকুপার পৌর বাজারে এ অবস্থা দেখা গেছে।

ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, চাহিদার তুলনায় মরিচের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে এবারই প্রথম কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার করতে আসা চঞ্চল মাহমুদ জানান, বাজারে কয়েক দিন ধরেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তি। আজ হঠাৎ করে জানতে পারি এক হাজার টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এখন বাজারে এসে দেখি ৭৫০-৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি করছেন দোকানিরা।

আরেক ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, কাঁচা মরিচের এত দাম জীবনে দেখিনি। ৮০০ টাকার এক পয়সা কমেও কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছে না। এক কেজি কাঁচা মরিচে এখন এক কেজি খাসির মাংস পাওয়া যাচ্ছে।

মরিচের ক্রেতা আজিজুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে কাঁচা মরিচ কিনতে এসে তো আকাশ থেকে পড়ার মতো অবস্থা। এক কেজি কাঁচা মরিচের দাম চাইছে এক হাজার টাকা। বাধ্য হয়ে শুকনো মরিচ কিনে বাড়ি যাচ্ছি।

মরিচ চাষি জিয়া জানান, ঈদের আগে ৩০০-৩৫০ টাকা করে পাইকারি বিক্রি করেছেন। আজ শনিবার দুপুরে ৫৫০ টাকা করে কাঁচামরিচ বিক্রি করেছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এ বছর প্রচণ্ড তাপদাহে মরিচের গাছ বাড়েনি। গাছের মাথা মুচড়ে গেছে। আবার এর মধ্যে বৃষ্টিতে কিছু গাছ মারাও যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ ধরছে কম‌। যার কারণে বাজারে চাহিদা বেশি। তাই দামও বেশি।

মরিচ ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন জানান, তিনি প্রতিদিন ২ থেকে ৩ মণ কাঁচা মরিচ বিক্রি করেন। শনিবার ১০ কেজিও মরিচ কিনতে পারেননি। অল্প কিছু ৫৫০ ও ৬০০ টাকা করে কিনেছেন। সেগুলো দাম হাঁকিয়ে বেশি দামে (এক হাজার) টাকা বিক্রি করার চেষ্টা করছিলেন। পরে  ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, যাদের কাছে বেশি মরিচ আছে তারা সবাই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেশি দামে বিক্রি করছে। প্রশাসন একটু তৎপর হলে সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা কোনো কিছুই বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে না।

শৈলকুপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামান খাঁন বলেন, বাজারে হঠাৎ করে কাঁচা মরিচ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যার প্রধান কারণ, বৃষ্টিতে কৃষকরা মরিচ উঠাতে পারেননি। আবার ঈদে মরিচের চাহিদা বেড়েছে। যার কারণে কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দুই-তিন দিনের মধ্যে মরিচের দাম কমে যাবে।

তিনি আরও বলেন, শৈলকুপা উপজেলায় এ বছর ১০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। উপজেলার চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম। আবার কৃষকের ক্ষেতে পুরোপুরিভাবে মরিচ আসেনি।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page