August 27, 2026, 10:45 am
শিরোনামঃ
জয়পুরহাটে নিখোঁজের ৫ দিন পর আখখেতে মিলল ইজিবাইক চালকের কঙ্কাল দিনাজপুরে সাবেক শ্রমিক লীগ নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও-সংঘর্ষ ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ জন মানুষ নিখোঁজ মতপার্থক্য সত্ত্বেও মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যের আহ্বান করলো ইরান যুক্তরাষ্ট্রে ২৭ বছর পর ২০২৮ সালে শুরু হতে যাচ্ছে ৯/১১ হামলার ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন : আইনমন্ত্রী রাফালকে ভূপাতিত করা ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে ভিজিএফের ৩৮ বস্ত চাল জব্দ

এম এ কবীর, ঝিনাইদহ : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হতদরিদ্রদের দেয়া সরকারী ভিজিএফের ৩৮ বস্তা চাল ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ৩নং তাহেরহুদা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (৩০ এপ্রিল) ২০২৩ইং বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঐ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের গোডাউন থেকে এই চাল জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তয়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে যান এবং পরিষদের গোডাউনে ৩৮ বস্তা চাল দেখতে পেয়ে গোডাউনটি সিলগালা করেন।

স্থানীয় ইউনিয়নবাসির অভিযোগ, পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে তাহেরহুদা ইউনিয়নে ৩ হাজার ৬১২ জন হতদরিদ্র মানুষের জন্য ৩৬ হাজার ১২০ কেজি ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দকৃত চাউল দুঃস্থদের মাঝে ১০ কেজি করে বিতরণ করার কথা। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর রাশেদ কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণের সময় ওজনে কম দেয়াসহ প্রকৃত দরিদ্রদের কার্ড না দিয়ে নামে বেনামে তালিকা করে অতিরিক্ত চাল অসৎ উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে লুকিয়ে রাখেন। যে কারণে প্রকৃত হতদরিদ্ররা এই চাল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ঈদের আগে সব চাল দুঃস্থদের মাঝে বিতরণের কথা থাকলেও দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান ৩৮ বস্তা চাল বিতরণ না করে গোপনে গোডাউনে রেখে দেন। তবে চেয়ারম্যান ঐ চাল গোপনে বিক্রি করার কোন সুযোগ পাননি।
তারা বলেন, চেয়ারম্যানের যদি অসৎ উদ্দেশ্য না থাকতো তবে বিতরণের পর চাউল বেঁচে যাওয়ার বিষয়টি ইউএনওকে জানাতেন।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর রাশেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদের আগে দুঃস্থদের তালিকা করা হয়েছিল। তাদের অনেকে চাউল নিয়েছেন আবার অনেকে চাউল নিতে আসেনি। যে কারণে চাউল পরিষদের গোডাউনেই পড়ে আছে। যারা চাউল নেননি তাদের তালিকা এবং মাস্টার রোল আছে। তালিকা অনুযায়ী সেই সব কার্ডধারীরা অনেকে চাউল নিতে আসছে। তবে কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে এই চাউল রাখা হয়নি বলে তিনি দাবী করেন।


এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুস্মিতা সাহা জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে মোবাইলে অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। ওই ইউনিয়নের গোডাউনে ৩৮ বস্তা চাউল পাওয়া গেছে। সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্তের পর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page