September 19, 2026, 7:15 am
শিরোনামঃ
সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সহযোগিতা চাইলেন দুই মন্ত্রী দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় সার্জন-অধ্যাপক থাকলেও ভিশনারি প্ল্যানিং নেই : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে কেউ অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকলে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি কুমিল্লায় ট্রাকচালকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ৩ জন আটক ফেনীতে গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম ; সোনাসহ নগদ টাকা লুট ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে ৩৭ হামলা চালালো সৌদি আরব ভেনেজুয়েলার ৪ বিলিয়ন ডলারের সোনার মজুত সরিয়ে নেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রে সৌদির নিরাপত্তায় যেকোনো পর্যায়ে যেতে প্রস্তুত পাকিস্তান যশোরের শার্শায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মা ছেলে আটক
এইমাত্রপাওয়াঃ

টাঙ্গাইলের ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে সাব রেজিস্ট্রারকে উকিল নোটিশ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সেই ঘুষের টাকা ফেরত দিতে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন আব্দুল বারী মিয়া নামের এক সেবাগ্রহীতা। গত ১৩ মে অ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন খান কাপাশ স্বাক্ষরিত একটি উকিল নোটিশ ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথকে দেওয়া হয়। নোটিশে পরবর্তী সাত কর্মদিবসের মধ্যে টাকা ফেরতের কথা উল্লেখ করা হয়।

উকিল নোটিশ সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার মৃত নছর আলীর ছেলে আব্দুল বারী মিয়া পাওয়ার অ্যাটর্নি দলিল রেজিস্ট্রি করার জন্য একটি দলিল দাখিল করেন সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথের কাছে। পরে সাব রেজিস্ট্রার জমির দলিল দেখে অন্যপক্ষ হতে অভিযোগ আছে মর্মে টাকা দাবি করেন। এ সময় সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা দেবনাথ বারী মিয়ার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে ৭ লাখ টাকায় দলিল করার চুক্তি হওয়ার পর টাকা পরিশোধ করেন বারী মিয়া।

পরে গত ৩ মে কমিশন দলিল করে দেওয়ার জন্য সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মচারী জুয়েল বারী মিয়ার বাসায় গিয়ে দাতাদের টিপসই নেন। কিন্তু পরবর্তীতে তার দলিল সম্পাদন না হয়ে প্রতিপক্ষ দাতা ফেরদৌস হোসেন খান গং এবং গ্রহিতা খায়রুল ইসলাম তালকদার গংকে ১৪৩০ নম্বর রেজিস্ট্রি করেন এবং বারী মিয়ার ১৪৩০ নম্বর দলিল বাতিল করে ১৪৩১ নম্বর করেন। ফলে তিনি প্রতারিত হওয়ায় গত ১৬ মে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে নোটিশ পাঠান।

সেবাগ্রহীতারা জানান, ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অফিস সহকারি জুয়েল ও সিরাজের মাধ্যমে দলিল সম্পাদনের ঘুষের টাকা লেনদেন করেন সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথ। দলিলের ওপর নির্ভর করে টাকা লেনদেনের পরিমাণ। কয়েক বছর ধরে সিরাজ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কাজ করার সুবাদে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন।

ভুক্তভোগী বারী মিয়া বলেন, দলিল করার জন্য সাব রেজিস্ট্রারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করলেও তিনি আমার দলিল সম্পাদন করেননি। পরে ঘুষের টাকা ফেরত চেয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো টাকা ফেরত পাইনি।

অভিযোগের বিষয়ে ভূঞাপুর সাব রেজিস্ট্রার অঞ্জনা রানী দেবনাথের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত বক্তব্য দেওয়া নিষেধ। এই বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না।

এ বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার মো. মাহফুজুর রহমান খান বলেন, টাকা ফেরত চেয়ে উকিল নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page