August 22, 2026, 12:05 am
শিরোনামঃ
যশোরে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মামলার হুমকি দিলো অজ্ঞাত নারী শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাগুরার বুনাগাতী ভূমি অফিসের কর্মচারীর চাকরি নিয়ে বয়স-সনদে অসঙ্গতির অভিযোগ আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন নতুন চার মুখ ভুয়া খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিলো ভারতীয় হাইকমিশন চট্টগ্রামে মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত নারায়ণগঞ্জে প্রকাশ্যে ইসলামী যুব আন্দোলন নেতাকে কুপিয়ে হত্যা কুয়েতে বন্ধ হচ্ছে ভিসার স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধি সিরিয়ায় উপস্থিতি নিয়ে তুরস্ককে হুঁশিয়ারি দিয়েছে নেতানিয়াহু
এইমাত্রপাওয়াঃ

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মালিকের বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ে মামলা দায়ের

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের মালিক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধভাবে অর্জিত ৬৭৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। এ জন্য তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সিআইডি ঢাকার ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের আর্থিক লেনদেন, নথিপত্র ও ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে। প্রাথমিক তথ্য–প্রমাণে চোরাচালান ও উৎসহীন অর্থের সত্যতা মিললে গত সোমবার (১৭ নভেম্বর) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার বিরুদ্ধে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার মানিলন্ডারিং মামলা রুজু করা হয়।

অসীম উদ্দিন খান বলেন, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা (৫৭) দীর্ঘদিন ধরে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী পরিচয়ে দেশে-বিদেশে স্বর্ণ ও হীরা ব্যবসার আড়ালে অর্থ পাচার ও চোরাকারবারি করে আসছিলেন।

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে মোট ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকা ৫২ পয়সা মূল্যের স্বর্ণবার, অলংকার, লুজ ডায়মন্ড ও অন্যান্য দ্রব্য বৈধভাবে আমদানি করে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে কেনা বা বিনিময় পরিবর্তন পদ্ধতিতে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়। তবে এর উৎস বা সরবরাহকারীর বৈধ কাগজপত্র প্রতিষ্ঠানটি সিআইডিকে দেখাতে ব্যর্থ হয়। বৈধ নথি না থাকায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে এসেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে সিআইডি।

সিআইডির মুখপাত্র বলেন, চোরাচালানে অর্জিত সম্পদ ও অপরাধলব্ধ অর্থ রূপান্তর, হস্তান্তর বা ব্যবহার সংক্রান্ত নথি পর্যবেক্ষণে মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেলে অনুসন্ধান প্রতিবেদন সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপির কাছে দাখিল করা হয়। পরবর্তীতে ১৬ নভেম্বর ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মামলা দায়েরের অনুমোদন পায়।

তিনি আরও জানান, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় দায়ের করা মানিলন্ডারিং মামলা সিআইডির তফসিলভুক্ত হওয়ায় তদন্ত সিআইডিই করবে। প্রয়োজনীয় নথি, ব্যাংক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য যাচাই করে আইন অনুযায়ী নিবিড় তদন্ত শুরু হবে।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page