July 14, 2026, 4:08 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ড্রেন নির্মাণকাজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিজিবির উদ্যোগে শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঝিনাইদহের মহেশপুরে ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স গ্রাহকদের নিয়ে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম গড়তে প্রকল্প রক্ষণাবেক্ষণে চসিকের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করতে হবে : পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাহসী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি পেলেন মাগুরার তিন সাংবাদিক মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ; ২৭ বিদ্যালয় থেকে টাকা আদায়ের দাবি আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে : প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী নারীর মরদেহের পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট নয়াদিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ
এইমাত্রপাওয়াঃ

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ; স্মার্ট বাংলাদেশে স্মার্ট সড়কের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (উড়ালসড়ক) উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক্সপ্রেসওয়েতে প্রথম যাত্রী হিসেবে টোল দেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দরের কাওলা প্রান্তে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনের পর টোল পরিশোধ করে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর নিয়ে উড়ালসড়কে উঠেন। এক্সপ্রেসওয়ের বিজয় সরণি প্রান্ত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর নিয়ে আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে যান। সেখানেও উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের বক্তব্য দেবেন।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ উদ্বোধন হলেও এক্সপ্রেসওয়েতে রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টা থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে পথচারী, মোটরসাইকেল, রিকশা, অটোরিকশাসহ তিন চাকার যানবাহনে এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে পারবে না। এ সড়ক দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে ফার্মগেটে। আগের মতো আর যানজটে বসে থাকতে হবে না।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মাণ করা হচ্ছে। এ কারণে টোলের টাকা থেকে নির্মাণ ব্যয় তোলা হবে। এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল করতে হলে দিতে হবে নির্ধারিত টোল। দ্রুতগতিতে ও নিরাপদে যাতে গাড়ি চলাচল করতে পারে, সেজন্য দুই ও তিন চাকার গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।

প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০ টাকা, বাস ও মিনিবাস ১৬০ টাকা, মাঝারি ট্রাক ৩২০ টাকা এবং ভারী ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দর এলাকায় দুটি, কুড়িলে তিনটি, বনানীতে চারটি, মহাখালীতে তিনটি, বিজয় সরণিতে দুটি ও ফার্মগেটে তেজগাঁও কলেজের সামনে নামছে একটি র‌্যাম্প। এর মধ্যে বনানী ও মহাখালীর দুটি র‌্যাম্পের কাজ শেষ হয়নি। এজন্য আপাতত র‌্যাম্প দুটি বন্ধ থাকবে।

এক্সপ্রেসওয়েতে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সরকারের সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করা হয়েছে এই এক্সপ্রেসওয়ে। মূল উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পে ওঠা-নামার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র‌্যাম্প (সংযোগ সড়ক) রয়েছে। র‌্যাম্পসহ এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট এই সাড়ে ১১ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে স্বাভাবিকভাবে এক থেকে দেড় ঘণ্টা লাগত। কোনো কোনো সময় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টাও লেগে যায়। তবে এক্সপ্রেসওয়েতে সময় লাগবে ১০ থেকে ১২ মিনিট।

বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট যেতে কাওলা, কুড়িল আর গলফ ক্লাবে ওঠার ব্যবস্থা থাকবে। একদিকে নামা যাবে বনানী ও মহাখালী আর ফার্মগেটে। অন্যদিকে, তেজগাঁও থেকে বিমানবন্দর যেতে বিজয় সরণি ওভারপাসের দুই প্রান্ত আর বনানী থেকে থাকবে ওঠার ব্যবস্থা। নামা যাবে মহাখালী, বনানী, কুড়িল ও বিমানবন্দর এলাকায়।

এক্সপ্রেসওয়েতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহর

উড়ালসড়কটি কাওলা থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে ঢাকার যানজট অনেকটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি চুক্তি স্বাক্ষরের পর ওই বছরের জুন মাসে এ প্রকল্পের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় প্রকল্পটি ২০১৬ সালে শেষ করার কথা থাকলেও এক্সপ্রেসওয়ের নকশা বদল, ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা, অর্থের সংস্থানসহ নানা জটিলতায় নির্মাণকাজ শেষ করার সময়সীমা পাঁচবার পিছিয়েছে। তবে প্রকল্পের কাজ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

প্রকল্পটিতে থাইল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইতাল-থাই ডেভেলপমেন্ট পাবলিক কোম্পানির ৫১ শতাংশ, চীনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শেনডং ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যা কো-অপারেশন গ্রুপের ৩৪ শতাংশ এবং সিনোহাইড্রো করপোরেশনের ১৫ শতাংশ মালিকানা রয়েছে। নির্মাণ পরবর্তী সাড়ে ২১ বছর উড়ালসড়কের টোল আদায় করে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের টাকা তুলে নেবে।

আজকের বাংলা তারিখ

July ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jun    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page