অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অবলম্বন করে। সুপ্রিম কোর্টের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে, সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক অফিস আদেশ বুধবার (৭ জানুয়ারি) জারি করা হয়।
আদেশে সুপ্রিম কোর্টের অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থান, নির্ধারিত ডেস্কে সার্বক্ষণিক উপস্থিতি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পোশাক নীতি, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সততা এবং তদারকির বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সততা’ সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অবলম্বন করে। সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে, সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘সুপ্রিম কোর্টের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৭৩ (১২ নভেম্বর, ২০১২ সংশোধিত) অধ্যায়-১৬এ-এর বিধি ৩ এর দফা ৪ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি, তিনি বারের সদস্য বা আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী বা অন্য কোনো ব্যক্তি আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোনো অংশে কোনো মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশ নিতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো ধরনের অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো। এ ছাড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত পার্কিং ব্যতীত রাস্তা, ভবনের গেটের সামনে গাড়ি ও রিকশা পার্ক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।