June 10, 2026, 4:15 am
শিরোনামঃ
বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়; মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী দেশে বৈধ মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ : সংসদে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নতুন নীতিমালায় যুক্ত হলো সর্বজনীন পেনশন স্কিমে মানিকগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ের হাতে মা খুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় চাচাকে পিটিয়ে হত্যা পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ১১ জন নিহত ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিল নেপাল প্রথমবারের মতো ১২ টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করলো ভারত
এইমাত্রপাওয়াঃ

দেশে এক মাসে রিজার্ভ বাড়ল ২ বিলিয়ন ডলার

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সহ বিভিন্ন আর্থিক সহযোগী সংস্থার ঋণ ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে দেশের বৈ‌দে‌শিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ ২১ দশ‌মিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে। যা মাসের শুরুতে নেমেছিল ১৯ বিলিয়ন। ফলে এক মাসের ব্যবধানে রিজার্ভ বাড়ল দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্তানুযায়ী বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ ২১ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন। এক মাস আগে গত ২৯ নভেম্বর গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী ছিল ১৯ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এক মাসে রিজার্ভ বেড়েছে ২ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার।
রিজার্ভ বাড়ার প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক জানান, আইএমএফের ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি এসেছে। এছাড়া এডিবি থেকে ৪০০ মিলিয়ন, সাউথ কোরিয়ার একটা ফান্ড থেকে ৯০ মিলিয়নসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার দেওয়া অর্থ এ মাসে এসেছে। সঙ্গে রে‌মিট্যান্স প্রবাহ ই‌তিবাচক র‌য়ে‌ছে। সব মিলিয়ে রিজার্ভ ভালো অবস্থায় ফিরছে।

রিজার্ভ কীভাবে তৈরি হয়
রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয়, বিদেশি বিনিয়োগ, বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ থেকে যে ডলার পাওয়া যায় তা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তৈরি হয়। আবার আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ বা কিস্তি পরিশোধ, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা, পর্যটক বা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় হয়, তার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা চলে যায়। এভাবে আয় ও ব্যয়ের পর যে ডলার থেকে যায় সেটাই রিজার্ভে যোগ হয়। আর বেশি খরচ হলে রিজার্ভ কমে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ছিল ২৫ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার। ২০১৫-১৬ তে ৩০ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৩৩ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ছিল ৩২ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ছিল ৩৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন। ২০২০-২১ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ৪৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার এবং সব শেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ৩১ বিলিয়ন ডলার।

আজকের বাংলা তারিখ

June ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« May    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  


Our Like Page