অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ধর্ষণসহ পৃথক দুটি মামলায় সাইফুল ইসলাম নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ সোমবার নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলাম নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য ছিলেন।
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সালের ১৮ অক্টোবর বাগাতিপাড়া উপজেলার জামনগর গ্রামে প্রতিবেশী স্বামী পরিত্যক্তা ভিকটিমকে গার্মেন্টসে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে ঢাকায় নিয়ে যান সাইফুল ইসলাম। সেখানে তারা একটি আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রাত্রি যাপন করেন। রাত্রি যাপন কালে সাইফুল ইসলাম ভিকটিমকে জোর করে ধর্ষণ করেন।
পরে চাকরি খোঁজার নাম করে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সাইফুল ইসলাম। এই ঘটনার পর ভিকটিম বাড়িতে ফিরে এসে ২০ অক্টোবর নিজে বাদী হয়ে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার ২০ বছর পর আজ আদালত একটি ধারায় সাইফুলকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং অপর একটি ধারায় তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
নাটোর জজ কোর্টের পিপি আনিসুর রহমান জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শেষ হওয়ার পর ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড শুরু হবে বলে বিচারক আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া জরিমানার ৩০ হাজার টাকা ভিকটিম পাবে বলে জানান তিনি।