April 28, 2026, 5:49 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত মাগুরার বালিদিয়া গ্রামে অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনী সদস্যর জমি দখলের অভিযোগ অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী দেশে বর্তমানে কোনো জঙ্গি তৎপরতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ১ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে : তথ্য উপদেষ্টা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাপানে বিপুল জনশক্তি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ পাবনার রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু খাগড়াছড়িতে বিদ্যুৎ বিভাগের ভুলে কৃষকের টিনের ঘরে চলতি মাসের বিদ্যুৎ বিল ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ইরানকে বড় ছাড় দিতে হবে : ফ্রান্স
এইমাত্রপাওয়াঃ

নারীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে : মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নারীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।

আজ বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এর যৌথ উদ্যোগে আইসিভিজিডি প্রকল্পের টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রকল্পের এক লাখ উপকারভোগীর মধ্যে উপযুক্ত ৯৬ হাজার ৯২৮ জন নারী উপকারভোগীদের কে জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পার্সন) পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের আয় বর্ধক কার্যক্রম/ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রত্যেককে এককালীন ২০ হাজার টাকা করে মোট ১৯৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য আমাদের চলমান প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই বিনিয়োগ অনুদান প্রদানের মাধ্যমে আমরা কেবল নারীদের স্বতন্ত্রভাবে সমর্থন করছি না, বরং নারীদের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করছি। তিনি বলেন, নারীদের উন্নয়নে ও দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার এমন সুযোগ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নারীর অবদান জোরদার করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল ২০১৫ এর আওতায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট’ কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করেছে। চলমান আইসিভিজিডি প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪টি জেলার প্রতিটি জেলা থেকে একটি করে উপজেলা নিয়ে ৬৪টি উপজেলায় এক লাখ নারীকে উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, উপকারভোগীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নগদ অর্থ অনুদান, প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল বিতরণ, পাঁচটি নির্ধারিত বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং একটি বিশেষ মডিউলের অধীনে উপকারভোগীর নিজের পছন্দ ও সুবিধাজনক একটি বিষয়ে উন্নত মানের প্রশিক্ষণ প্রদান ও ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডমেনিকো স্কালপেল্লি, মহিলা শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারক, মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান সহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page