August 28, 2026, 6:54 pm
শিরোনামঃ
যশোরের শার্শায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার যশোরে মাকে হত্যার দায়ে ১৭ ঘণ্টা পর স্কুল শিক্ষক ছেলে মামুন আটক কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয় : আইনমন্ত্রী শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা আজ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা-ছেলে গুলিবিদ্ধ ঝিনাইদহে ভোররাতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জামালপুরে নিজ দোকানের ভেতর থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কানাডার অন্টারিও হ্রদের নাম বদলে লেক আমেরিকা করলেন ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

নোয়াখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষে গোলাগুলিতে ৫ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জাগলার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৮ থেকে ১০ জন।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী জাগলার চর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ একজন নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেও অপর চারজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে একজন হলেন আলাউদ্দিন (৪০)। তিনি সুখচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর আমান উল্যাহ গ্রামের ছেরাং বাড়ির মহিউদ্দিনের ছেলে।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাগলার চরের জমি এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কাউকে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। এ সুযোগে গত ৫ আগস্টের পর জাহাজমারা ইউনিয়নের কোপা সামছু বাহিনী ওই চরের বেশ কিছু জমি বিক্রি করে। পরে সুখচর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন বাহিনী ওই জমির দখল নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আলাউদ্দিন বাহিনী আরও বেশি দামে কিছু জমি বিক্রি করে। উভয় পক্ষ আলাদাভাবে চরের জমি বিক্রির চেষ্টা চালাতে থাকে।

এ নিয়ে দুটি পক্ষ একাধিকবার বিরোধে জড়ায়। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কোপা সামছু ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়।

এতে অপর পক্ষের ছোড়া গুলিতে আলাউদ্দিনসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। অপর চারজনের মরদেহ ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিল।

ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তেও পারে।

স্থানীয়দের ধারণা, জাগলার চরে সংঘর্ষে তিন বাহিনী— ফরিদ কমান্ডার, শামসু বাহিনী এবং আলাউদ্দিন বাহিনী মুখোমুখি হয়ে গুলি চালিয়েছে। এতে সামসু বাহিনীর প্রধান এবং আলাউদ্দিন বাহিনীর প্রধান আলাউদ্দিন নিহত হয়েছেন। তবে ফরিদ ডাকাত তার বাহিনী নিয়ে পালিয়ে গেছে।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে একটি মরদেহ রাখা আছে, চারটি মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলের কারণে পুলিশ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।  ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page