October 7, 2026, 2:53 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ঝিনাইদহের মহেশপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত যশোরে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে প্রতিবন্ধী হত্যার দায়ে মামলা ; পুরুষ শূন্য গ্রাম দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা করা হবে : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু ; এক মাসে দেওয়া হবে আরও ৩৫ লাখ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অর্থপাচার করে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ; সুইস নাগরিকের তথ্য চাইলো ইউএই শিগগিরই আসছে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি নওগাঁয় বয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু ; আহত ৪ জন রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ২৩৪ জন আটক ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
এইমাত্রপাওয়াঃ

পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শৈত্যপ্রবাহ ; তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  দেশের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে হিমেল বাতাসের দাপটে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, বিশেষ করে ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ফলে প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে শীতের অনুভূতি আরও বেশি হচ্ছে।

এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৭ ডিগ্রি। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রার এমন বড় পতনে শীতের তীব্রতা এক ধাপ বেড়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে। কোথাও কোথাও দুপুর গড়িয়ে গেলেও সূর্যের দেখা মিলছে না। সকাল ও সন্ধ্যার পর কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেক পরিবারের দৈনন্দিন আয় হ্রাস পেয়েছে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য জোগাড় করতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

এদিকে, একটানা শীত ও কুয়াশার কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে।



Our Like Page