November 5, 2026, 2:50 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌর মহিলা ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন যশোরে ট্রেনের ধাক্কায় কাভার্ড ভ্যান চুর্নবিচুর্ন ; চালক নিহত যশোরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালকসহ দুই জন নিহত মাগুরায় সাকের হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ; মূল পরিকল্পনাকারীসহ প্রধান আসামি আটক বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়াতে চীনের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ; ব্যয় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকা এই আন্দোলন শ্রমিকদের নয় ; পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে : রাষ্ট্রদূত কক্সবাজারের ইনানীতে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত
এইমাত্রপাওয়াঃ

পরীক্ষায় তুমিও ফেল ৬ মাস পর আমিও ফেল : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কারিগরি শিক্ষার নানা সমস্যা ও সংকট নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শুনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল। কারও বাঁচার উপায় নেই।’

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী গতানুগতিক বক্তব্য না দিয়ে শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও সংকটের কথা শোনেন। শিক্ষার্থীরা ক্লাস না হওয়া, আধুনিক ল্যাব সুবিধার অভাব, পুরোনো যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ শিক্ষকের সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী নিহাল উদ্দীন সরকার বলেন, আমাদের ঠিকমতো ক্লাসই হয় না। প্র্যাকটিক্যাল কাজে আটকে যায়। ক্লাসে কিছুই বুঝতে পারি না।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিভাগের শিক্ষক মাশফিকুর রহমানকে ডেকে কারণ জানতে চান মন্ত্রী। ওই শিক্ষক জানান, ১৯৬৩ সালে নির্মিত ভবনে ক্লাস ও ল্যাবের কাজ চালাতে হচ্ছে। মেশিনারিজ বলতে কিছুই নেই। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় পড়ানোর জন্য যেসব সুবিধা দরকার, তার কিছুই নেই। ফলে শিক্ষকরা চাইলেও শেখাতে পারেন না।

আবু জর গিফারি নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অষ্টম সেমিস্টারে আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কথা। কিন্তু আমাদের সেভাবে পাঠানো হয়। পাঠালেও ভালো প্রতিষ্ঠানে আমাদের নেয়া হয় না। কাউকে ঢাকার প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয় না।

ঢাকার ভালো প্রতিষ্ঠানে না পাঠানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী রাজশাহী পলিটেকনিকের প্রিন্সিপালের কাছে জানতে চান। কিন্তু প্রিন্সিপাল জানান, ইন্ডাস্ট্রির লোকজন শিক্ষার্থীদের নিতে চায় না।

তখন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সঙ্গে ইন্ড্রাস্ট্রির চুক্তি আছে। ছাত্রদের অবশ্যই নিতে হবে৷ মেশিনারি ব্যবহার করতে দিতেই হবে। কেন দিচ্ছে না তার খোঁজ নিতে হবে। আমরাও খোঁজ নেবো, কথা বলবো।

কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকার কাজ করবে জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন শিক্ষায় যত টাকা লাগে, তা দেবেন। কিন্তু আমি তো নিতে পারছি না। কত নেবো, কীভাবে নেবো, কোথায় খরচ করবো? আমাকে তো প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেখানে যেখানে সমস্যা, সেখানে কাজ করবো। তা সমাধানে প্রকল্প হাতে নেবো। সেজন্য আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শুনছি। ওরা কি চায়, সেটা জানার চেষ্টা করছি।

শিক্ষামন্ত্রীকে এক শিক্ষক জানান, পলিটেকনিকের ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে যাচ্ছে৷ এ ঝরেপড়া ঠেকাতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি ৭ বছর ধরে চাকরি করলেও বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেন ১৯ জন শিক্ষক। মন্ত্রী তাদের পুনরায় পরীক্ষা নিয়ে আত্তীকরণ করার আশ্বাস দেন।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ৫ই নভেম্বর, ২০২৬
  • ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩
  • ২৪শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
November ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Oct    
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০  


Our Like Page