August 26, 2026, 10:45 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৪ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক পুলিশের পাশাপাশি অন্য বাহিনীগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার ভুল করলে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন : আইনমন্ত্রী রাফালকে ভূপাতিত করা ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ মসলা-ঘিসহ ১০ নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ ঝিনাইদহের মহেশপুরে মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য আটক ; জিম্মি নারী উদ্ধার কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বগুড়ায় ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক বিশ্বজুড়ে মার্কিন ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রম স্থগিত
এইমাত্রপাওয়াঃ

পাকিস্তানে পুলিশ স্টেশনে ধর্ষণের অভিযোগে ৭৮ কর্মকর্তা-সদস্যের সবাইকে অব্যাহতি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : পাকিস্তানের লাহোরের একটি পুলিশ স্টেশনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই থানার ৭৮ জন সদস্য ও কর্মকর্তার সবাইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ধর্ষণের প্রধান অভিযুক্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পদমর্যাদার এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) লাহোর পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (অপারেশন্স) ফয়সাল কামরান ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

লাহোরের গাজিয়াবাদ পুলিশ স্টেশনে ঘটেছে এ ঘটনা। পুলিশ এবং পাকিস্তানি গণমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন অভিযুক্ত ওই এএসআই। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই তরুণী বাড়ি ফেরার পথ হারিয়ে ফেলেছিলেন। বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকে পুলিশ স্টেশনে আনার পর থানা হাজতে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন ওই এএসআই।

গাজিয়াবাদ পুলিশ স্টেশনে কর্মরত ৭৮ কর্মকর্তা ও সদস্যকে সাসপেন্ড করার কারণ প্রসঙ্গে দ্য গার্ডিয়ানকে ফয়সাল কামরান বলেন, ‘পুলিশবিধির অনুযায়ী, কোনো থানায় যদি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কোনো অন্যায় বা অপরাধমূলক কোনো ঘটনা ঘটে— তাহলে সংশ্লিষ্ট ওই থানার সব কর্মকর্তা ও সদস্যকে তার দায়ভার নিতে হয়। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্য যখন ওই তরুণীকে স্টেশনে নিয়ে আসেন, সে সময় স্টেশনে কোনো নারী পুলিশ সদস্য ছিল না এবং সে সময় থানায় উপস্থিত কোনো সদস্য বা কর্মকর্তা তাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেননি।’

এ ঘটনায় পাকিস্তানের মানবাধিকার ও নারী অধিকার সংস্থাগুলো ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিল, সংবাদ মাধ্যমও এ ঘটনা নিয়ে সরব ছিল। লাহোরভিত্তিক নারী অধিকারকর্মী ফারজানা বারি দ্য গার্ডিয়ানকে এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা এবং পুলিশের দীর্ঘদিনের জবাবদিহিতার অভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি প্রকট উদাহারণ। পুলিশের অসদাচরণ এবং হেফাজতে ধর্ষণের অভিযোগ নতুন নয়। আমরা বছরের পর বছর ধরে এমন ঘটনা ঘটতে দেখছি।’

তিনি বলেন, ‘এটি একটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা এবং এটি পুলিশের দীর্ঘদিনের জবাবদিহিতার অভাবকেই প্রতিফলিত করে। এটি ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি প্রকট উদাহরণ। পুলিশের অসদাচরণ এবং হেফাজতে ধর্ষণের অভিযোগ নতুন নয়, এবং আমরা বছরের পর বছর ধরে এমন ঘটনা দেখে আসছি।’

তিনি আরও জানান, পাকিস্তানের নারী অধিকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো গত শতকের নব্বইয়ের দশক থেকে পুলিশ হেফাজতে নারীদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্নভাবে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছেন, কিন্তু সরকারের উদাসীনতার কারণে এক্ষেত্রে অগ্রগতির হার প্রায় শূন্য।

উল্লেখ্য, বিশ্বের যেসব দেশে নারীদের লক্ষ্য করে সহিংসতার হার বেশি— সেসবের মধ্যে পাকিস্তান অগ্রসারিতে রয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৬ মাসে শুধু লাহোরেই ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও অন্যান্য সহিংসতার শিকার হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি নারী।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page