February 23, 2026, 1:56 am
শিরোনামঃ
আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু ; নির্বাচন করা হবে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে সরকার : তথ্যমন্ত্রী শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আর রাজপথে নামাতে হবে না : শিক্ষামন্ত্রী ১৪ এপ্রিলের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন হতে পারে : ইসি মাছউদ রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ১ জন আটক লক্ষ্মীপুরে ৫ টাকার জন্য বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের গুলিতে ৪ জন আহত গ্রিনল্যান্ডে হাসপাতাল জাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিরিয়ার নতুন সরকারের বিরুদ্ধে আইএস সদস্যদের লড়াই করার আহ্বান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ‘বর্ণবৈষম্য’ করছে ইসরাইল : জাতিসংঘ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জাতিসংঘ বলেছে, ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরাইলের  কয়েক দশকের বৈষম্য ও বিভাজন আরো তীব্র হচ্ছে। সংস্থাটি ইসলরাইলকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে তাদের  ‘বর্ণবৈষম্যমূলক ব্যবস্থা’ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

জেনেভা থেকে বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় বুধবার একটি নতুন প্রতিবেদনে বলেছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘পদ্ধতিগত বৈষম্য’ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরো খারাপ হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে বলেন, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে পদ্ধতিগতভাবে শ্বাসরুদ্ধ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, পানি সরবরাহ, স্কুলে যাওয়া, হাসপাতালে ছুটে যাওয়া, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা কিংবা জলপাই সংগ্রহ করা— পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র ইসরাইলের বৈষম্যমূলক আইন, নীতি ও কার্যক্রম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও সীমিত।

তিনি বলেন, এটি বিশেষভাবে গুরুতর ধরনের জাতিগত বৈষম্য ও বিভাজন, যা পূর্বের বর্ণবৈষম্যমূলক ব্যবস্থার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

জাতিসংঘের সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিশেষজ্ঞ অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পরিস্থিতিকে ‘বর্ণবৈষম্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে, এবারই প্রথমবার কোনো জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধান এ শব্দটি ব্যবহার করলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে বসবাসরত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী ও ফিলিস্তিনিদের জন্য দু’টি পৃথক আইন ও নীতি প্রয়োগ করে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অসম আচরণ করা হয়।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ফিলিস্তিনিরা এখনো  ভূমি  ও সম্পদের মালিকানা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে তাদের জমি ও বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্যান্য পদ্ধতিগত বৈষম্যেরও শিকার হচ্ছে তারা। এর মধ্যে রয়েছে— সামরিক আদালতে অপরাধের বিচার, যেখানে তাদের যথাযথ প্রক্রিয়া ও ন্যায্য বিচারের অধিকার পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘিত হয়।

ভলকার তুর্ক দাবি করেন, ইসরাইলকে জাতি, ধর্ম বা জাতিগত উৎসের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত বৈষম্য বজায় রাখে এমন সব আইন, নীতি ও কার্যক্রম বাতিল করতে হবে।

মানবাধিকার কার্যালয় বলেছে, চলমান ও বাড়তে থাকা বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার কারণে বৈষম্য আরো জটিল হয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর সম্মতি, সমর্থন ও অংশগ্রহণে ঘটছে।

১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বাস করেন। সেখানে ৫ লক্ষাধিক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে সহিংসতা বেড়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় গাজা যুদ্ধের সূচনার পর সহিংসতার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে এএফপি’র হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে ১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। তাদের মধ্যে যোদ্ধা ছাড়াও অনেক সাধারণ নাগরিক রয়েছেন।

ইসরাইলের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে অন্তত ৪৪ জন ইসরাইলি সেনা ও সাধারণ নাগরিক ফিলিস্তিনিদের হামলা বা ইসরাইলি সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন।

 

আজকের বাংলা তারিখ

February ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jan    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  


Our Like Page